সর্বশেষ

গণতন্ত্র

বঞ্চিত ৯০ শতাংশের মনস্তাত্ত্বিক আনুগত্য ও শাসন কাঠামোর চরিত্র

ইতিহাসের পাতায় বিপ্লব কিংবা গণঅভ্যুত্থানের দৃশ্যপট দৃশ্যত অমলিন, রোমাঞ্চকর এবং মানব ইতিহাসের অবদমিত সামাজিক শক্তিগুলোর অনবদ্য জাগরণের নিখাঁদ প্রতীক হয়েই বেঁচে থাকে। অমানবিক নিপীড়ন ও শোষণের জগদ্দল পাথর সাধারণ মানুষের অস্তিত্বকে নিষ্পেষিত করতে করতে সীমার বাইরে গেলেই পুঞ্জীভূত দ্রোহ ও ক্ষোভের বিস্ফোরণে স্বৈরাচারী কাঠামোর ভীত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে এবং পতন ঘটে শাসকের সাম্রাজ্য; ফলে সূচিত হয় নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির। কিন্তু বিপ্লব-উত্তর রাষ্ট্র পরিচালনায় যে নির্মোহ, কঠোর ও নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়, তা ইতিহাসজুড়ে এক গভীর করুণ বৈপরীত সামাজিক পরিবেশের জন্ম দেয়।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
মহাকালের রাজপথে গণতন্ত্রের প্রদীপ্ত মশাল: বেগম খালেদা জিয়া

ইতিহাসের মানচিত্রে কিছু নাম কেবল অক্ষরের সমষ্টি হয়ে থাকে না, তারা হয়ে ওঠে একটি পুরো যুগের অনুরণন, কোনো এক ঝোড়ো দিগন্তের অবিনাশী মহাকাব্য। বাংলাদেশের রাজনীতির উত্তাল রক্তিম ক্যানভাসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এমনই এক সুদীর্ঘ ইতিহাস, যা একদিকে যেমন মাতৃত্বের মমতা আর নিভৃত গৃহকোণের স্নিগ্ধতা বহন করে, অন্যদিকে তেমনি বহন করে রাজপথের অনমনীয় আর আপসহীন দৃঢ়তা। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্টের এক সোনালী প্রভাতে, তৎকালীন দিনাজপুর জেলার এক স্নিগ্ধ প্রহরে যাঁর ধরণীতে আগমন, তিনি হয়তো সেদিন ভাবেননি যে, ইতিহাস তাঁকে একদিন নিয়ে দাঁড় করাবে এক বিশাল জাতির গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে।

রাজপথের পাশাপাশি অ্যালগরিদমেও চলছে রাজনৈতিক লড়াই

বাংলাদেশ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী এমন এক সময়ে পালন করছে, যখন রাজনৈতিক আন্দোলনের চিত্র ও চরিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে। একসময় জনসমুদ্রভরা মিছিল বা সমাবেশ ছিল রাজনৈতিক শক্তির প্রধান প্রতীক। এখন সেই জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে একটি স্মার্টফোন। কারণ একটি ভিডিও, লাইভ সম্প্রচার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো পোস্ট মুহূর্তেই লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও মানুষ আন্দোলনের অংশীদার হয়ে ওঠে।

৫ আগস্টের চেতনায় গণমানুষের কল্যাণ

ইতিহাসের গতিপথ সবসময় মসৃণ থাকে না; মাঝে মাঝে তা সাধারণ মানুষের সম্মিলিত ক্ষোভ, ত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষাকে সম্বল করে অভূতপূর্ব বাঁক নেয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে ৫ আগস্ট তেমনই একটি অবিস্মরণীয় দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। এই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি সরকারের পতন ছিল না; বরং তা ছিল দীর্ঘদিনের জমে থাকা বৈষম্য, অন্যায় ও শাসনতান্ত্রিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের তীব্র প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ ঘোষণা। আজ আমরা ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালন করছি।

স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছেন কিনা- ভেবে দেখার আহ্বান 

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি করে তারা নিজেদের অজান্তেই পতিত ও পরাজিত স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ তৈরি করছেন কি না, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।

জুলাই শহীদদের মর্যাদা ও গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক করার অঙ্গীকার তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা এবং দেশের অর্জিত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি গণতান্ত্রিক চর্চা সংসদের বাইরে রাজপথে নেওয়ার প্রবণতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।