সর্বশেষ

সারাদেশ

নরসিংদীতে কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন, 'জনস্বাস্থ্য' থেকে তথ্য না দেয়ার অভিযোগ

শামীম মিয়া, নরসিংদী
শামীম মিয়া, নরসিংদী

বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬ ১১:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নরসিংদী জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া নিয়ে অনিয়ম ও স্বচ্ছতার ঘাটতির অভিযোগ উঠেছে। তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক ও স্থানীয়রা। পাশাপাশি নির্বাহী প্রকৌশলী তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজওয়ান হোসেন

নরসিংদী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজওয়ান হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য গোপন, অনিয়ম ও প্রকল্প বাস্তবায়নে অসঙ্গতির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আবেদন করা হলেও অনেক ক্ষেত্রেই তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে না।

স্থানীয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, নির্ধারিত ফরমে আবেদন এবং একাধিকবার যোগাযোগ করেও প্রকল্পের অগ্রগতি ও ব্যয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, তথ্য চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনেক সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুমতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করছেন।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজওয়ান হোসেন বলেন, “কোনো তথ্য নিতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলার এমপিদের অনুমতি লাগবে”—এমন বক্তব্যকে ঘিরে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তথ্য অধিকার আইনের বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি দপ্তরের তথ্য জনগণের অধিকারভুক্ত এবং এ ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত অনুমতির শর্ত আরোপ আইনগতভাবে বিতর্কিত হতে পারে।

অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে নলকূপ স্থাপন ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও একাধিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে বিল পরিশোধ করা হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে অসঙ্গতি রয়েছে।

রায়পুরার ডৌকারচর এলাকার এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, তাদের বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের কাজ দীর্ঘ সময় ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ের কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন এবং বিষয়টি তথ্য কমিশন পর্যন্ত গড়িয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, সাংবাদিকদের তথ্য দিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তথ্য প্রদানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বাধ্য।

এদিকে বিষয়টি ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন