ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ হচ্ছে : মির্জা ফখরুল
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬ ৭:১৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সরকারে আসলে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে৷ আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে যাচ্ছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি।
মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ইউআই আলিম মাদরাসা প্রাঙ্গনে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যামিলি কার্ড নারীদের জন্য একটি বড় শক্তি ও ক্ষমতায়নের মাধ্যম হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে নারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তভাবে তুলে ধরতে পারবেন এবং সমাজে তাদের গুরুত্ব বাড়বে। এ উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এটি সবার কাছে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগলেও শেষ পর্যন্ত সবাই এই সুবিধা পাবেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার গঠনের ২২ দিনের মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। আগামী ১৬ তারিখ থেকে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হবে, যাতে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে খরার সময় কৃষিকাজে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা ন্যায্যমূল্যে সার, সেচ ও বীজ কিনতে পারবেন।
তিনি বলেন, অতীতে নানা অনিয়মের কারণে অনেক সময় কার্ড পেতে মানুষকে অর্থ দিতে হতো। তবে এবার কোনো ধরনের অর্থ ছাড়াই এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে এবং সবাইকে কার্ড দেওয়া হবে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি এটিকে নিজের শেষ নির্বাচন বলেছিলেন। জনগণ তাকে নির্বাচিত করায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি জানান, ২০২৭ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিমানবন্দর নির্মাণের কাজও শুরু করা হবে। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে এবং নতুন প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম এনডিসি, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন, সদর ইউএনও খায়রুল ইসলাম, স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিএনপির নেতাকর্মী ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
১২৩ বার পড়া হয়েছে