নরসিংদীতে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে তরুনীকে হত্যার অভিযোগ
বৃহস্পতিবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে কতিপয় যুবকের হাতে ১৫ বছর বয়সী আমেনা আক্তার নামে এক কন্যীকে পিতার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় ওই কন্যার মরদেহ উদ্ধার করে মাধবদী থানা পুলিশ।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, নিহতের পিতা আশরাফ হোসেন বরিশারের বাসিন্দা। কর্মের সুবাদে তিনি স্ত্রী-কন্যাসহ মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একটি দল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মহিষাশুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার আহমদের নেতৃত্বে মিমাংশা হয়।
বুধবার বাবা আশরাফ হোসেন মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসার জন্য পথে যাচ্ছিলেন। পথে বড়ইতলা এলাকায় পৌছালে নূরার নেতৃত্বে আরও ৫ জন মিলে তার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নেয়। পরে পরিবারের লোকজনসহ বেশ কিছুক্ষন খোঁজাখুজি করে, কিন্তু কোনো খবর পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে একই এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা।
নিহতের বাবা মোঃ আশরাফ হোসেন বলেন, “নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার সামনে থেকে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি, কিন্তু রাতে আর পাইনি। সকালে জানতে পারি, আমেনার লাশ ঘটনাস্থলে পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।”
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ছাড়াও অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণের বিষয়টি তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।
১২৩ বার পড়া হয়েছে