পটুয়াখালী-৪ আসনে জয়ী এবিএম মোশাররফ হোসেনের শপথ গ্রহণ
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১:৫১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–৪ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবিএম মোশাররফ হোসেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এ অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, তিনি ১,২৪,০১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাফিজুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন) পেয়েছেন ৭০,১২৭ ভোট। মোট ভোটের হিসেবে মোশাররফ হোসেন প্রায় ৬৩ শতাংশ এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রায় ৩৭ শতাংশ ভোট অর্জন করেছেন বলে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় মোশাররফ হোসেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে এলাকায় তাঁর ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি ফলাফলের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা পটুয়াখালী–৪ আসনে তাঁর বিজয় ঘোষণা করেন।
বিজয়ের খবরে কলাপাড়াসহ উপকূলীয় এলাকায় আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করে বলেন, ভাঙন, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে নতুন সংসদ সদস্য কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।
এক তরুণ শিক্ষক বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন চান তারা। এছাড়া শিল্প ও কর্মসংস্থান প্রত্যাশীরা প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তার, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের দাবি জানিয়েছেন।
শপথ গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় এবিএম মোশাররফ হোসেন এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কাজ করবেন।
সামগ্রিকভাবে এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন বড় রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
১০৫ বার পড়া হয়েছে