সর্বশেষ

জাতীয়সাফ ফুটসালের প্রথম আসরেই শিরোপা বাংলাদেশের
বিএনপি ক্ষমতায় এলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের ঘোষণা তারেক রহমানের
সাকিবকে দলে বিবেচনার নাটকীয় সিদ্ধান্তে নতুন বিতর্ক
গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: প্রণয় ভার্মা
সারাদেশজানাজা শেষে বাগেরহাটে কারাবন্দী ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে পাশাপাশি দাফন
সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদারীপুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার
নারায়নগঞ্জের ফতুল্লায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কার্যালয়ে ভাঙচুর-গুলিবর্ষণ
আন্তর্জাতিকপ্রশান্ত মহাসাগরে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা, নিহত ২
খেলাআইসিসি বিশ্বকাপ থেকে সরালো বাংলাদেশকে, স্কটল্যান্ড পেল সুযোগ
সারাদেশ

জানাজা শেষে বাগেরহাটে কারাবন্দী ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে পাশাপাশি দাফন

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট
স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ৫:৫১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে গৃহবধূ কানিজ সুবর্ণা ওরফে স্বর্ণালী (২২) ও তাঁর ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্র সেজাদ হাসান নাজিফকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে রাত ১১টা ২০ মিনিটে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে তাঁদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

গত শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে কানিজের স্বামীর বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ এবং ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্রের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। শনিবার দুপুরে মা ও ছেলের মরদেহ কানিজের বাবার বাড়িতে আনা হয়। সেখানে গোসল ও কাফনের পর বিকেল সোয়া চারটার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।

সেখানে কারাবন্দী স্বামী জুয়েল হাসান ওরফে সাদ্দাম স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পান। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মানবিক বিবেচনায় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে জুয়েলের পরিবারের ছয় সদস্যকে কারাফটকের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

কানিজ সুবর্ণা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা শাখার সভাপতি জুয়েল হাসানের স্ত্রী। জুয়েল বর্তমানে যশোর জেলা কারাগারে বিভিন্ন মামলায় বন্দী রয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে কানিজ ও জুয়েলের বিয়ে হয়। সন্তান জন্মের আগেই জুয়েল কারাগারে যাওয়ায় পরিবারটি মানসিক চাপের মধ্যে ছিল। কানিজের ভাই মো. শুভ জানান, স্বামী কারাবন্দী থাকায় তাঁর বোন দীর্ঘদিন ধরেই হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। তিনি বলেন, “আমার দুলাভাই তাঁর ছেলেকে একবারও কোলে নিতে পারেননি। শেষবারের জন্য যেন একটু দেখতে পারেন, সেই কারণেই আমরা কারাগারে গিয়েছিলাম।”

এদিকে স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে জুয়েলকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, প্যারোল সংক্রান্ত আবেদন যেহেতু যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই সেখানকার জেলা প্রশাসক বা জেল সুপারের কাছে আবেদন করতে হবে। বাগেরহাট প্রশাসন বিষয়টি যশোর জেলা কারাগার ও কারা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছে এবং মৃত স্বজনদের লাশ দেখার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে জুয়েল আত্মগোপনে ছিলেন। গত বছরের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাবন্দী রয়েছেন।

১১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন