প্রথমবারের ভোট নিজেকেই দেবেন সিপিবি প্রার্থী রাশেদ খান
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:০৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী রাশেদ খান জানিয়েছেন, তিনি তার জীবনের প্রথম ভোটটি নিজেকেই দেবেন।
বুধবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রতীক গ্রহণের পর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এই তরুণ নেতা বলেন, তিনি ২০১২ অথবা ২০১৩ সালে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হন। তবে পরবর্তী সময়ে ভোট দিতে গেলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জানতে পারেন, তার ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে যাননি। ফলে ভোটার হওয়ার পর এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেবেন।
যেহেতু এবার তিনি নিজেই প্রার্থী, তাই নিজের ভোট নিজেকেই দেবেন বলে জানান রাশেদ খান।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক রাশেদ খান ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যশোরের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সিপিবির মনোনয়নে যশোর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার নির্বাচনী প্রতীক ‘কাস্তে’।
এদিকে যশোর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।
যশোর-২ আসনে চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতীক পেয়েছেন ‘ঘোড়া’। তবে তিনি জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না এবং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, জহুরুল ইসলাম নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করায় তা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তিনি প্রার্থী হিসেবেই বহাল রয়েছেন।
অন্যদিকে যশোর-৫ আসনে বিএনপির আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন পেয়েছেন ‘কলস’ প্রতীক।
বুধবার সকাল ১১টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় প্রার্থী ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাচনি আচরণবিধি ও নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত জেলার নির্বাচনী পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে এবং নির্বাচন পর্যন্ত এ পরিবেশ বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদী।
১০৫ বার পড়া হয়েছে