পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সমালোচিত ব্যক্তি ডা. জহির
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। কৌশলগত কারণে জোট রাজনীতিতেও আসছে পরিবর্তন।
এরই অংশ হিসেবে পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে ডাক্তার জহির উদ্দিন আহম্মেদকে।
১০ দলীয় এই জোটে অন্যতম শরিক খেলাফত মজলিস। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খেলাফত মজলিস থেকেই প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদকে। এর আগে এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রার্থী করার কথা থাকলেও জোটগত সমঝোতার পরিবর্তনের কারণে শেষ পর্যন্ত ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদের নাম ঘোষণা করা হয়।
জোট সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং এলাকায় আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংকের একটি অংশকে লক্ষ্য করেই তাঁকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি একসময় রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ নিজে বলেন, '১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাকে পটুয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জোটের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম ইতোমধ্যে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছেন।'
তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ওঠা বিতর্ক প্রসঙ্গে ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, 'আমি কখনোই আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম না। দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছিলাম। দায়িত্ব পালন শেষে তৎকালীন এমপি মহিববুর রহমান আমাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা করার কথা বললেও আমি এতে সম্মতি দেইনি। একজন এমপি কখনোই দলের পদ দিতে পারেন না। দলীয় পদ জেলা কমিটি বা কাউন্সিলের মাধ্যমে হয়। আমি কখনো আওয়ামী লীগ করিনি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।'
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, 'পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা সবাই তাঁকে সহযোগিতা করবো।'
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার ফলে পটুয়াখালী-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
১১৪ বার পড়া হয়েছে