শেরপুর-১ আসনের বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীকে শোকজ
সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ৭:২১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শেরপুর-১ (সদর) আসনের তিনজন প্রার্থীকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
শোকজপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াত ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রভাষক মামুনুর রশিদ পলাশ এবং জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
শোকজপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেব্রিন প্রিয়াঙ্কা, জামায়াতের প্রার্থী মো. রাশেদুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রতীক বরাদ্দ ও আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শেরপুর সদর উপজেলার জঙ্গলদি বাজারে আয়োজিত এক কর্মীসমাবেশে বিএনপি প্রার্থী ডা. সানসিলা জেব্রিন প্রিয়াঙ্কা ধানের শীষে ভোট না দিলে কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া যাবে না-এমন বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম তার নিজ নামীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেইজ থেকে দলীয় প্রতীক সংবলিত পোস্টার ও ছবি ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান এবং বিভিন্ন জনসমাবেশে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদও ফেসবুকে প্রতীকসহ পোস্টার-ছবি ব্যবহার করে প্রচারণা চালান এবং প্রতীক বরাদ্দের আগেই পথসভা করে নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে ভোট চান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৭৩(৩)(বি) এবং রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট বিধির লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে শেরপুর-১ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) তানভীর আহমেদ জানান, অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট তিন প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এবং কেন অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হবে না—সে বিষয়ে আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১১৪ বার পড়া হয়েছে