সর্বশেষ

সারাদেশ

ধরলা নদীর ভাঙন ও নারীর জীবনের করুণ বাস্তবতা নিয়ে আবেগঘন সেমিনার

আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম
আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬ ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ভয়াবহ অবস্থা, নদীভাঙন এবং নদীভিত্তিক মানুষের জীবনসংগ্রামের বিষয় নিয়ে একটি আবেগঘন সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারটি আয়োজিত হয় ব্লু প্ল্যানেট ইনিশিয়েটিভের তত্ত্বাবধানে এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট (AFAD)-এর সহযোগিতায়, কুড়িগ্রাম শহরের খলিলগঞ্জ এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে।

সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন নদী বিশেষজ্ঞ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, আর বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা চর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা সমাজসেবা ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

নদীভাঙনের শিকার নারীরা, যেমন কুমুদিনি, রিজিয়া, সুভদ্রা, তাদের জীবনসংগ্রামের করুণ বাস্তবতা তুলে ধরে কান্নাজড়িত বক্তব্য দেন। তারা জানান, বসতভিটা হারানো, সন্তানদের শিক্ষার ব্যাঘাত, চিকিৎসার অভাব ও অনিশ্চিত জীবনের মধ্য দিয়ে প্রতিদিনের জীবনযাপন করতে হচ্ছে।

জেলা চর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, কুড়িগ্রামে ১৬টি নদ-নদীর পাশাপাশি ৪৬৯টি চর আছে, যেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ বসবাস করে। কিন্তু এসব চরে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কার্যকর উদ্যোগ নেই। তিনি আরো বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খাদ্য সংকটের কারণে দরিদ্রতা দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

নদী বিশেষজ্ঞ ড. তুহিন ওয়াদুদ জানান, ধরলা নদীর পানি কমে যাওয়ার প্রধান কারণ ভারতের পরিকল্পিত পদক্ষেপ। কাগজে ১৬টি নদীর কথা বলা হলেও বাস্তবে অন্তত ৫০টি নদী আছে, যেগুলোর অনেকগুলো অস্তিত্ব সংকটে। তিনি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সেমিনারের শেষভাগে বক্তারা নদী রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, চরাঞ্চলের মানুষের অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

৪০১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন