সর্বশেষ

জাতীয়বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা সাময়িক স্থগিত
দিল্লি-করাচিকে পেছনে ফেলে বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, সতর্কবার্তা আইকিউএয়ারের
সারাদেশরংপুরে মদপানে মৃত্যু বেড়ে ৭, কারবারিদের দৌরাত্ম্য নিয়ে উদ্বেগ
মাদারীপুরে শিবচরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী আটক
গোপালগঞ্জে জমি বিরোধে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে এক মানব পাচারকারীসহ চারজন আটক
নাশকতার মামলায় গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
পঞ্চগড়ে সপ্তাহজুড়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, জনজীবন প্রভাবিত
আন্তর্জাতিকইরানে যে কোনো সময় হামলা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরণ বন্ধ, ট্রাম্পের দাবি
আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে কাতার থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
সৌদির নিরাপত্তা পুনর্বিন্যাস: মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে পাকিস্তান-তুরস্ক জোটে ঝুঁকছে রিয়াদ
খেলাফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি এখন ঢাকায়, রেডিসনে সীমিত প্রদর্শনী
ফেবু লিখন

আমেরিকার ব্লুজোন এলাকা লোমালিন্ডা'র( Loma linda) উপাখ্যান 

আহসান নবাব
আহসান নবাব

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৩:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ক্যালিফোর্নিয়ার "লোমালিন্ডা" আমেরিকার একমাত্র ব্লুজোন এলাকা। জায়গাটির নাম প্রথম জানি আমার বন্ধু মীর ইউসুফের একটি কবিতা থেকে।

ব্লুজোন এলাকা মানে যেখানে মানুষ ৯০+ আয়ু নিয়ে বাঁচে। লোমালিন্ডা সহ পৃথিবীতে ব্লুজোন মোট পাঁচটি। অন্য চারটি হচ্ছে-ওকিনাওয়া (জাপান), সার্ডিনিয়া ( ইটালি),নিকোইয়া ( কোস্টারিকা) ও ইকারিয়া (গ্রীস)। লোমালিন্ডার বাসিন্দারা, আমেরিকার মানুষের গড় আয়ু থেকে ১০ বছর বেশি বাঁচে (লোমালিন্ডার মানুষের গড় আয়ু ৯০+ বছর), যার প্রধান কারণ সেখানকার মানুষের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।

অধিবাসীরা প্রতিদিন নিরামিষভোজী খাবার খায়, নিয়মিত ব্যায়াম করে,ধূমপান- মদ্যপান থেকে বিরত থাকে। লোমালিন্ডা স্প্যানিশ শব্দ,যার মানে সুন্দর পাহাড়।

সাড়ে সাত স্কয়ার মাইলের লোমা লিন্ডার অধিবাসীরা স্বাস্থ্য-সচেতনতার পাশাপাশি প্রাত্যহিক জীবনে বহু প্রাচীন সাবাথ বিশ্রাম নামে সেভেন্থ-ডে অ্যাডভেন্টিস্ট বিশ্বাসের আচার-আচরণ পালন করে ; যেটিতে তারা প্রতি শুক্রবার সূর্যাস্ত থেকে শনিবার সূর্যাস্তের সময় পর্যন্ত আধ্যাত্মিক চিন্তা, পরিবারকে সময় দেওয়া এবং সকল কাজ ও দৈনন্দিন চাপ থেকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য উৎসর্গ করে। এটি তাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

আজ শনিবারে ছেলে চমকের কাঁধে সওয়ার হয়ে এই লোমালিন্ডা শহরে পৌঁছালাম সকাল দশটায়। সাথে বউমা বহ্নি আর আদরের বর্ণমালা,পরশমণি।

চারপাশে পাহাড় ঘেরা ছবির মতো সাজানো ছিমছাম শহরে অনেকগুলো পার্ক,আর নানা জাতীয় স্বাস্থ্য সচেতনমুলক কেন্দ্র আছে। আছে একটি নামী বিশ্ববিদ্যালয়,আছে চাষাবাদের জমিজমাও। এদিন শনিবার বলে প্রথামাফিক শহরের সিংহভাগ অধিবাসীরাই নিজ নিজ পরিবারের সাথে সময় কাটানোর ফলে পুরো জনপদটি শুনশান নিরব ছিল।

বিকাল গড়াতেই দেখা মিললো নানা বয়েসী অধিবাসীদের। তখন ক্রমশ: শহরটি দারুণ দারুণ প্রাণবন্ত আড্ডাবাজ একটি স্বপ্নের শহর হিসেবে প্রস্ফুটিত হয়ে উঠলো। আমরা সেই স্বপ্নের,অগাধ জীবনের শহরে অনেকটা পথ,রাস্তা এলাকা হেঁটে বেড়ালাম; তাদের উচ্ছ্বাস,আনন্দকে ধারণ করলাম।শহরটি নতুন, পুরনো ধাঁচের মিশেলে গড়া। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে স্নিগ্ধ, ঘোর লাগা মায়াবীশহর ছেড়ে আমরা যাত্রা করলাম আমাদের নিজস্ব আঙিনার পথে....

লেখক : গদ্যশিল্পী।

(লেখাটি লেখকের ফেসবুক থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে)

২২৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
ফেবু লিখন নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন