সর্বশেষ

জাতীয়ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে
১২ কোটি ভোটারের রায়ের অপেক্ষায় দেশ, শ্বাসরুদ্ধকর ভোটের লড়াই চলছে
রাজধানীর ২ হাজার ১৩১ ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা বাহিনীর ৫৫ হাজার সদস্য মোতায়েন
সারাদেশযত সময় গড়াবে, বিজয় তত সন্নিকটে : আশাবাদী হাসনাত আবদুল্লাহ
ধামরাইয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ, বাড়ছে নারী ভোটারের উপস্থিতি
কুষ্টিয়া-১: উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ, অধিকাংশ কেন্দ্রে দলের এজেন্ট অনুপস্থিত
বাগেরহাটে ১৮৬টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নজরদারি
ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে : লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এ্যানি
বগুড়ায় কেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে জামায়াতের ২ কর্মী আটক
নজিরবিহীন নিরাপত্তায় বগুড়ায় ভোটগ্রহণ চলছে, কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের ভিড়
ময়মনসিংহের ১১ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু, নিরাপত্তায় কড়া ব্যবস্থা
জামালপুরে শান্তিপূর্ণভাবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন শুরু
মাগুরায় দুই আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে
শেরপুরে দুই আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, নিরাপত্তায় কড়া ব্যবস্থা
মোংলা-রামপালে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, প্রথম ভোট দিলেন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী
নেত্রকোনায় ভোটগ্রহণ শুরু, অনিয়মের অভিযোগ এনসিপি প্রার্থীর
সাতক্ষীরার চার আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে নির্বাচন
আন্তর্জাতিকইরানের সঙ্গে উত্তেজনা: মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরি মোতায়েনের ঘোষণা ট্রাম্পের
খেলামেসি–ম্যানিয়া: এমএলএসের সবচেয়ে ‘দামি’ দল এখন ইন্টার মায়ামি
আইন-আদালত

দুই যুগেও শেষ হয়নি রমনা বটমূলে বোমা হামলার বিচার

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫ ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের সকালে রাজধানীর রমনা পার্কের বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বোমা হামলায় ১০ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হন।

ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। কিন্তু হত্যা মামলার রায় ঘোষিত হলেও বিস্ফোরক মামলার বিচার এখনও শেষ হয়নি।

ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। ২০২২ সালের মার্চে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলেও একজন আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন না হওয়ায় গত তিন বছর ধরে বিচার আটকে আছে। আদালত বারবার শুনানির তারিখ পেছাচ্ছে। সর্বশেষ, ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে।

মামলার আসামি আরিফ হাসান সুমনের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য বহুবার তারিখ নির্ধারিত হলেও কার্যত কোনো অগ্রগতি হয়নি। তার আইনজীবী মিজানুর রহমান দাবি করেন, দীর্ঘসূত্রতা ও বিচার প্রক্রিয়ার বিলম্বে আসামিকে বিনা বিচারে দীর্ঘ সময় জেল খাটানো হচ্ছে। তার মতে, “একজন আসামির আত্মপক্ষ শুনানির জন্য এত দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয় না।”

২০১৪ সালে বিস্ফোরক মামলায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন হয়। রাষ্ট্রপক্ষের তালিকাভুক্ত ৮৪ জন সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন। এর মধ্যে হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান ২০১৭ সালে অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় এই মামলা থেকে অব্যাহতি পান। এছাড়া, আরও কয়েকজন আসামি পলাতক রয়েছেন।

এদিকে, ২০২২ সালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল থেকে মামলাটি মহানগর আদালতে পাঠানো হয়। আসামিপক্ষ অভিযোগ করছে, বিচার দীর্ঘায়িত করতেই মামলাটি স্থানান্তর করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজ হাসান জানিয়েছেন, তারা রাষ্ট্রীয় দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

প্রসঙ্গত, একই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২০১৪ সালে আটজনের মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এখন শুধু বিস্ফোরক মামলার রায় আটকে থাকায় পুরো বিচারপ্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

৪০২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আইন-আদালত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন