সর্বশেষ

ধর্মীয় সম্প্রীতি

ফরিদপুরে মসজিদ-মণ্ডপ পাশাপাশি, সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত

এক পাশে মসজিদ, দুই পাশে পূজামণ্ডপ। মসজিদে আজানের ধ্বনি আর মণ্ডপে কাঁসর-ঘণ্টার শব্দ—দুই ধর্মের মানুষের এমন সহাবস্থানে দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে ফরিদপুর শহর। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে এখানে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার পালন করছেন।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউ সংখ্যালঘু নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাধীন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের কেউ সংখ্যালঘু নন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে। এই স্বাধীনতা শুধু কাগজে-কলমে বা ধর্মীয় গ্রন্থে নয়, বাস্তব জীবনেও নিশ্চিত করতে চান তাঁরা।

নির্বিঘ্নে ধর্ম পালন করবেন, কেউ বাধা দেবে না: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের সব ধর্মের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’—এই চেতনা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সমাজ থেকে অপশক্তি দূর করার সংগ্রামে সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

গুজব ছড়িয়ে দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান

দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়িয়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করলেন তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্মীয় বিশ্বাস ও ধর্মচর্চাকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা হলে ধর্মপ্রাণ মানুষই তা প্রতিহত করবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্ম বা বর্ণের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বিভাজন বা ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সংখ্যালঘু অধিকার সুরক্ষিত হবে: মির্জা ফখরুল

কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে দেশের সব নাগরিকের অধিকার, বিশেষ করে ধর্মীয় অধিকার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই; সবাই সমান অধিকারের নাগরিক।