সর্বশেষ

সারাদেশ

মোংলায় অস্বাভাবিক ঘন কুয়াশায় নৌযান ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত, ভোগান্তিতে জনজীবন

মাসুদ রানা, মোংলা
মাসুদ রানা, মোংলা

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬ ৭:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মোংলা বন্দর ও এর আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় হঠাৎ করেই দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক ঘন কুয়াশায় জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার ভোর থেকেই পুরো এলাকা কুয়াশার ঘন আস্তরণে ঢেকে যায়, ফলে নৌ ও সড়ক—উভয় পথেই স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়।

পশুর নদীসহ মোংলা বন্দরের বিভিন্ন নৌরুটে দৃশ্যমানতা কমে কয়েক হাত দূরেও কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এতে মাঝনদীতে থাকা ছোট-বড় নৌযান ও পণ্যবাহী কার্গো জাহাজগুলোকে ধীরগতিতে চলতে বা কোথাও কোথাও থেমে থাকতে হয়। বন্দরের হারবাড়িয়া ও ফেয়ারওয়ে এলাকার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রমও সাময়িকভাবে স্থবির হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ ও ট্রলার চলাচল সীমিত রাখা হয় এবং বড় জাহাজগুলোকে সতর্কভাবে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে মোংলা–খুলনা মহাসড়কসহ স্থানীয় সড়কগুলোতেও কুয়াশার প্রভাব পড়ে। হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলোকে খুব ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। দীর্ঘ সময় যানজট ও গতি কমে যাওয়ায় যাত্রী ও চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে অনেক সময় সড়কের পাশে থেমে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের মতে, শীত মৌসুমের বাইরে এমন ঘন কুয়াশা বিরল হওয়ায় তারা এটিকে “অস্বাভাবিক কুয়াশা” হিসেবে অভিহিত করছেন। পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে ফেরি চলাচলও বিঘ্নিত হয়, ফলে নদীর দুই তীরে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কুয়াশার কারণে অপারেশনাল কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হলেও পরিস্থিতি উন্নতি হলে দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয়। অন্যদিকে, বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডের টহল দলকেও নৌপথে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে দেখা গেছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বাতাসের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণেই এ ধরনের ঘন কুয়াশা তৈরি হয়েছে, যা সূর্য উঠলে ধীরে ধীরে কেটে যেতে পারে।

  

১৭৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন