সর্বশেষ

সারাদেশ

যশোর-খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের জলাবদ্ধতা মোকাবেলায় সংবাদ সম্মেলন 

দিলীপ বর্মন, খুলনা
দিলীপ বর্মন, খুলনা

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
উত্তরণ ও পানি কমিটির উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ূন কবীর বালু মিলনায়তনে যশোর-খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের জলাবদ্ধতা সমস্যার বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন পানি কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি, প্রাক্তন অধ্যক্ষ আব্দুল মতলেব সরদার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল-যশোর, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার প্রধান সমস্যা হলো জলাবদ্ধতা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৬০-এর দশকে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, জলোচ্ছ্বাস ও প্লাবন প্রতিরোধ এবং অধিক ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে পোল্ডার ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। এই ব্যবস্থার ফলে প্লাবনভূমি তথা বিল খাল থেকে এলাকার জোয়ার-ভাটা নদীগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। এর ফলে নদীর বুক প্লাবনভূমি থেকে উঁচু হয়ে যায়। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি পোল্ডারের মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে যায় এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও জানান, বছরে ৬-৯ মাস কোন কোন বিলে সারা বছর জল জমে থাকে। এর ফলে নিচু বসতি এলাকায় বসবাস সংকট, ধান ও মাছ চাষের ব্যাপক বিপর্যয় এবং কর্মসংস্থানের সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। বিগত ৩৫-৪০ বছর ধরে এই সমস্যাটি এই অঞ্চলে অব্যাহত রয়েছে। সমস্যাটি ক্রমশ তীব্র হচ্ছে এবং এর পরিধি ব্যাপক এলাকায় বিস্তৃত হচ্ছে।

আব্দুল মতলেব সরদার বলেন, সমস্যার কার্যকর সমাধান হলো জনগণ উদ্ভাবিত ও পরীক্ষিত টিআরএম বা জোয়ার-ভাটা পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। জলাবদ্ধতা মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে নদী-খাল খনন ও উপকূলীয় বাঁধ সংস্কার করা হলেও মূল সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। বাস্তবতা হলো, টিআরএম ছাড়া অন্য কোনোভাবে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ সালের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অববাহিকা সমূহে দ্রুত টিআরএম ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া, টিআরএম বিলের অধিবাসীরা যাতে সহজে ক্ষতিপূরণ পেতে পারে, তার জন্যও ব্যবস্থা করতে হবে। সকল কর্মকান্ডে জনগণ ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সদস্য হাসেম আলী ফকির ও মোঃ রেজাউল করিম, ডুমুরিয়া উপজেলা পানি কমিটির সম্পাদক সেলিম আক্তার স্বপন, তালা উপজেলা পানি কমিটির সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, ডুমুরিয়া উপজেলা পানি কমিটির সদস্য শেখ মোশারফ হোসেন, উত্তরণের কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ আল আমিন মোল্লা, দিলীপ কুমার সানা এবং যুব পানি কমিটির সদস্য গোলাম হোসেন।

১৭৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন