সর্বশেষ

সারাদেশ

খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

দিলীপ বর্মণ, খুলনা
দিলীপ বর্মণ, খুলনা

বৃহস্পতিবার , ২৬ মার্চ, ২০২৬ ১:০৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে গল্লামারী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়।

একই সময় সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং শহরের প্রধান সড়কগুলো জাতীয় পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়।

গল্লামারী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ও জেলা ইউনিট, বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, কেএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, জেলা প্রশাসক আ. স. ম জামশেদ খোন্দকার, জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

সকাল সাড়ে ৮টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ। পরে সেখানে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, বিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কারারক্ষী এবং শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন বিভাগীয় কমিশনার।

নগরভবনে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ।

দিবসটি উপলক্ষে সিনেমা হল ও উন্মুক্ত স্থানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। জাতির শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে প্রার্থনা করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএ রকেট ঘাটে নৌবাহিনীর জাহাজ জনসাধারণের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। শহরের সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা করা হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা (টি-২০ ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি) অনুষ্ঠিত হয়। খুলনার সকল পার্ক ও বিভাগীয় জাদুঘর শিশুদের জন্য বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হয়।

খুলনা বেতার বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে এবং স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। এছাড়া রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করে।

১২৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন