কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সংরক্ষণে সমন্বিত পরিকল্পনা: সংস্কৃতি মন্ত্রী
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬ ৯:৫২ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাংলাদেশের স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরি।
তিনি বলেছেন, ইতিহাস ভুলে গেলে কোনো জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না, তাই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বীরত্বগাথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জরুরি।
মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সর্বজনীন জনযুদ্ধ, যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭০ সালের নির্বাচন—এই ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামই স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করেছে।
তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতের পর সারা দেশে যখন অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল, তখন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এতে মুক্তিযুদ্ধে নতুন গতি সঞ্চার হয় এবং জনগণের মধ্যে সাহস ও প্রেরণা ফিরে আসে।
নিতাই রায় চৌধুরি জানান, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও শহীদ জিয়ার স্মৃতিকে সংরক্ষণ ও উন্নয়নে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর আওতায় আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন, প্রয়োজন হলে ভাস্কর্য নির্মাণ এবং ঐতিহাসিক সম্প্রচারে ব্যবহৃত সরঞ্জাম সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দর্শনার্থীদের জন্য এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে তারা প্রথমে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র এবং পরে সংশ্লিষ্ট জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শহীদ জিয়ার হত্যাকাণ্ড যেমন জাতির জন্য বেদনাদায়ক, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান গৌরবের অংশ। এই দুই দিককে যথাযথভাবে তুলে ধরতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১২১ বার পড়া হয়েছে