সর্বশেষ

জাতীয়অভিযোগ শূন্যে নামাতে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা গড়ার উদ্যোগ: আইজিপি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: জ্বালানি সাশ্রয়ে আজ থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ
সারাদেশসৌদিতে মিসাইল হামলায় প্রবাসী মোশারফের মৃত্যু, শোকে পরিবার
চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির বেনাপোলে অভিযান
ভোলাহাটে গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপনে পুরাতন ইট ব্যবহারের অভিযোগ
জাফলংয়ে কুদ্দুস–রুকন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
কুমিল্লায় ৩ হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
আন্তর্জাতিকবাহরাইনের প্রধান তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা
নেতানিয়াহুর সাথে যৌথ সিদ্ধান্তে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি হবে : ট্রাম্প
খেলাটি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ: ইতিহাস গড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত
জাতীয়

অভিযোগ শূন্যে নামাতে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা গড়ার উদ্যোগ: আইজিপি

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬ ৮:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পুলিশ ও জনগণের মধ্যে তৈরি হওয়া আস্থার সংকট কাটাতে দেশের প্রতিটি জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

তিনি বলেছেন, এমনভাবে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা হবে যাতে পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকে।

সোমবার সকালে পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে মো. আলী হোসেন ফকিরকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আইজিপি বলেন, থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে প্রমাণ সাপেক্ষে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য সেখানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিচার পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। জেলার সদর থানাগুলোকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা হিসেবে গড়ে তুলতে সেখানে সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য একজন সার্কেল এএসপি দায়িত্ব পালন করবেন। থানায় আসা মানুষ যেন সন্তুষ্ট হয়ে হাসিমুখে ফিরে যেতে পারেন—সেই লক্ষ্যেই কাজ করা হবে। পাশাপাশি পুলিশের ‘রিঅ্যাকশন টাইম’ কমিয়ে আনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আইজিপি বলেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছেন। দল-মত নির্বিশেষে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্লক রেড অভিযান চালানো হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।

চাঞ্চল্যকর ঘটনার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনার কথাও জানান তিনি। বিশেষ করে গণধর্ষণ, ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন আইজিপি।

মামলার তদন্তের মান উন্নয়নে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)কে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রতিশ্রুতি দেন পুলিশের প্রধান।

আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে আইজিপি জানান, সড়ক, মহাসড়ক, নৌ ও রেলপথে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও র‌্যাবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে দেশের বড় বড় মার্কেটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং চুরি-ছিনতাই রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পোশাক শিল্পে ঈদের আগে বেতন-ভাতা নিয়ে সম্ভাব্য অসন্তোষ মোকাবিলায়ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান আইজিপি। এ জন্য ঝুঁকিপূর্ণ গার্মেন্টস কারখানা চিহ্নিত করার পাশাপাশি শ্রমিক নেতা, মালিকপক্ষ, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া উগ্র মৌলবাদীদের উত্থান রোধে পুলিশের সজাগ নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আইজিপি বলেন, জনগণই রাষ্ট্রের মূল শক্তি। তাই জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে জনগণের পাশে থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য পুলিশ বাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন