সর্বশেষ

জাতীয়রাষ্ট্রপতি পদে খন্দকার মোশাররফের নাম জোরালো, আলোচনায় নজরুল ইসলাম খানও
নতুন মন্ত্রিসভা ছোট আকারে, গুরুত্ব পেতে পারেন প্রবীণ-নবীন ও দক্ষ নেতারা
সারাদেশচাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান: নেশাজাতীয় সিরাপসহ আটক ১
নারায়ণগঞ্জে দুই স্থানে লাশ উদ্ধার: সিদ্ধিরগঞ্জে অজ্ঞাত নারী, সোনারগাঁয়ে যুবক নাঈম খুন
ভোটারদের হুমকি–মারধরের অভিযোগে বেলকুচিতে দুই বিএনপি নেতার পদ স্থগিত
টুঙ্গিপাড়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সংঘর্ষে বিএনপি কর্মীসহ আহত ৫
হিলিতে নিজ শয়নকক্ষ থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
আন্তর্জাতিকট্রাম্পের শান্তি পর্ষদ থেকে সহায়তার আশ্বাসের মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১১
খেলাপাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে সুপার এইটে ভারত
জাতীয়

নতুন মন্ত্রিসভা ছোট আকারে, গুরুত্ব পেতে পারেন প্রবীণ-নবীন ও দক্ষ নেতারা

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পাওয়ার পর নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।

একই দিনে শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার আকার ও সদস্যদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে।

দলীয় সূত্র জানায়, এবার মন্ত্রিসভা আগের তুলনায় ছোট রাখা হচ্ছে। সম্ভাব্য আকার হতে পারে ৩৫ থেকে ৩৭ সদস্যের। এর মধ্যে ২৬ থেকে ২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ৯ থেকে ১০ জন প্রতিমন্ত্রী থাকতে পারেন। শেষ মুহূর্তে এক বা দুজন নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভা ছিল ৬০ সদস্যের, যা সে সময় সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার সংযত আকারের মন্ত্রিসভা গঠনের চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দলীয় একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, প্রবীণ-নবীন, অভিজ্ঞ ও দক্ষ নেতাদের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা সাজাতে চান তারেক রহমান। সম্ভাব্য সদস্যদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনেকাংশে তিনি নিজেই নিচ্ছেন। এ প্রক্রিয়ায় দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত আছেন বলেও জানা গেছে। সম্প্রতি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তিনি বৈঠক করেছেন।

মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ। এ ছাড়া হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুক-এর নামও আলোচনায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতা, জোটভুক্ত দলের প্রতিনিধি, তরুণ নেতৃত্ব ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও বিবেচনায় আছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া সুশাসন, দুর্নীতিদমন ও নাগরিক সেবা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দক্ষ ও সৎ ব্যক্তিদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। ২০০১-০৬ মেয়াদে বিদ্যুৎ-জ্বালানি, স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, নৌপরিবহন, বাণিজ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে যে সমালোচনা হয়েছিল, তা এবার দলের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে।

নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান জাতীয় ঐক্য ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি জানান। পরদিন তিনি শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলাম-এর বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন, যা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান মন্তব্য করেছেন, নতুন সরকারের শুরুতেই অর্থনৈতিক ‘সিগন্যালিং’ গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রিসভার সদস্যদের দক্ষতা ও বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা দেশি-বিদেশি মহলে ইতিবাচক বার্তা দেবে।

১১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন