রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার
মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৫:০৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার রাতে পরপর দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুটি ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, প্রথম ভূমিকম্পটি বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ১ সেকেন্ডে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মিংডু এলাকায়, যা ঢাকা থেকে প্রায় ৫২১ কিলোমিটার দূরে। এরপর রাত ৯টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় দফায় আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব নির্ধারণে কাজ করছে আবহাওয়া অফিস।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাদের দেশের সব স্টেশনেই ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার বলেন, মিয়ানমারের যে অঞ্চলে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে, সেটি একটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা এবং সাবডাকশন জোনের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের ভূমিকম্পের প্রভাব সাধারণত বাংলাদেশে তুলনামূলক কম পড়ে।
তিনি আরও জানান, দুটি ভূত্বকীয় প্লেটের সংযোগস্থলকে সাবডাকশন জোন বলা হয়, যেখানে একটি প্লেট অন্যটির নিচে ঢুকে যায়। বাংলাদেশে এই সাবডাকশন জোন সিলেট থেকে কক্সবাজারের পার্বত্য অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ প্রায় ৫০০ কিলোমিটার।
এদিকে একই দিনে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরায়ও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।
ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
১০৬ বার পড়া হয়েছে