সর্বশেষ

জাতীয়উন্নয়নের আড়ালে দেশীয় সম্পদ লুট করা হয়েছে: আলিয়া মাদ্রাসায় তারেক রহমান
সিলেটে তারেক রহমানের জনসভাস্থল লোকে লোকারণ্য
চূড়ান্ত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ: রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠের লড়াই শুরু
ভারতীয় কূটনীতিকদের ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’, নেতিবাচক বার্তা ছড়ানোর অভিযোগ
সারাদেশনির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শনে সেনাবাহিনী প্রধান
মাগুরায় ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর, থানায় মামলা
পরিবহন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে রাঙ্গামাটিতে চলছে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট
জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা জানিয়ে গানম্যান চাইলেন হান্নান মাসউদ
ভোটারদের পছন্দে হস্তক্ষেপ করবো না : ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
নাটোরে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন বিএনপি প্রার্থী দুলু
মাদারীপুরে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য: বিএনপি থেকে বহিষ্কার ৩ নেতা
নড়াইল নার্সিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: অধ্যক্ষসহ দুই শিক্ষকের পদত্যাগ
নাটোরের সিংড়ায় জিয়া পরিষদ সদস্য ও কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা
আন্তর্জাতিকজেরুজালেমে ইউএনআরডব্লিউএ’র সদর দপ্তর ধ্বংস ইসরাইল
খেলাবিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত, অনড় অবস্থানে আইসিসি
মতামত

প্রস্তুতিহীন ক্রিকেট কূটনীতিতে কোণঠাসা বাংলাদেশ: প্রশ্নবিদ্ধ বুলবুলের নেতৃত্ব

মনজুর এহসান চৌধুরী
মনজুর এহসান চৌধুরী

বৃহস্পতিবার , ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে ‘ক্রিকেট কূটনীতি’র এই পর্বে পরাজয়ের দায় সমষ্টিগত হলেও সামনে এসে সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

নিরাপত্তা–ইস্যুতে নৈতিক উচ্চভূমি দাবি করেও তা আন্তর্জাতিক বোর্ডরুমের বাস্তব কূটনীতি ও প্রমাণ–যাচাইয়ের লড়াইয়ে রূপ দিতে না পারায় বিসিবি সভাপতির নেতৃত্ব এখন স্পষ্টভাবে কাঠগড়ায়।

শুরু থেকেই বুলবুল প্রকাশ্যে বলেছেন, “আমরা দলকে ভারতে পাঠাতে নিরাপদ বোধ করছি না”, এবং বোর্ডের ধারাবাহিক বৈঠকের পর ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ের ভেন্যু বদলে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার দাবি তাঁরই মুখ থেকে আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে ঘোষিত হয়। তিনি একাধিক সাক্ষাৎকারে জানান, আইসিসির কাছে সব নথি ও উদ্বেগ পাঠানো হয়েছে, “এখন তাদের জবাবের অপেক্ষা”, কিন্তু এই অপেক্ষার ফাঁকে কোনো স্বাধীন নিরাপত্তা দল ভারতে পাঠানো বা যৌথ ফ্যাক্ট–ফাইন্ডিং মিশনের মতো পেশাদার উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

আইসিসি পরে নিজের নিরাপত্তা–মূল্যায়নে জানায়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে “কোনো নির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য হুমকি” তারা পায়নি এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষের লিখিত নিশ্চয়তার সঙ্গে তাদের রিপোর্টের সামঞ্জস্য আছে; এই প্রেক্ষাপটে ভেন্যু বদলকে তারা অপ্রয়োজনীয় ও নজিরবহির্ভূত বলে নাকচ করে দেয়। এখানেই বুলবুলের নেতৃত্বের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়—আইসিসির রিপোর্টের পাল্টা হিসেবে তিনি সমমানের স্বাধীন নিরাপত্তা–ডকুমেন্ট, ফিল্ড রিপোর্ট বা বিকল্প নিরাপত্তা প্রটোকল তুলে ধরতে পারেননি, বরং রাজনৈতিক উত্তাপ ও জনমতের আবেগের ওপরই ভর করেছেন।

আইসিসি বোর্ডে ভেন্যু বদলের প্রস্তাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় শুধু পাকিস্তান; বাকি সব সদস্য মূল সূচি অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে ভোট দেয়, যা বাংলাদেশের কূটনৈতিক একঘরে হয়ে পড়ার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সময়ে বোর্ডের এক পরিচালকের বিতর্কিত মন্তব্য ও খেলোয়াড়দের বয়কট–সঙ্কট সামলাতেও বুলবুলকে শেষ মুহূর্তে ব্যাকফুটে গিয়ে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে, যা বোর্ড–ব্যবস্থাপনায় আগাম নিয়ন্ত্রণহীনতার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের রাজনৈতিক লাইন, উপদেষ্টা–মহলের হঠকারী বক্তৃতা ও বোর্ডের ভেতরের অগোছালো পরিস্থিতি—সব কিছুর মাঝেও বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রাজনীতির বাস্তবতা বুঝে একটি টেকসই ও প্রফেশনাল পথ বের করা। তা করতে না পারায় পরাজয়ের বড় অংশই এখন আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্ব ও ব্যক্তিগত নেতৃত্ব–ব্যর্থতার পরিণতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।


লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।  

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
মতামত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন