শরীয়তপুরে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ও প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন
বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৫ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ও তাদের প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম দুপুর ১২টার দিকে এই বরাদ্দ কার্যক্রমের ঘোষণা দেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলায় এই নির্বাচনে তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের ১৭ জন দলীয় প্রার্থী এবং ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। জেলার মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৫০ হাজার ৬০০ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮০ জন, নারী ভোটার ৫ লাখ ৫৩ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৪ জন।
শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত সাঈদ আহমেদ আসলাম, রিকশা প্রতীকে খেলাফত মজলিসের জালালুদ্দিন আহমেদ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. তোফায়েল আহমেদ, শাপলা প্রতীকে এনসিপির আব্দুর রহমান এবং ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের ফিরোজ আহমেদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোটরসাইকেল প্রতীকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও ঘোড়া প্রতীকে মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা অংশ নিচ্ছেন।
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত শফিকুর রহমান কিরন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদ হোসেন, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের ইমরান হোসেন, বটগাছ প্রতীকে খেলাফত আন্দোলনের মাহমুদুল হাসান, ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের আখতারুজ্জামান সম্রাট, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির জসিম উদ্দিন এবং কলম প্রতীকে জনতার দলের পারভেজ মোশাররফ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কম্পিউটার প্রতীকে আলমগীর হোসেন এবং সোফা প্রতীকে মো. নাসির অংশ নিচ্ছেন।
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. আজহারুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির আব্দুল হান্নান এবং হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের হানিফ মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম বলেন, “শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা আগামী বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।”
১২৫ বার পড়া হয়েছে