সর্বশেষ

জাতীয়তিন দফা দাবিতে ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করল এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল নিরঙ্কুশ জয়
সারাদেশপটুয়াখালীর প্রবীণ সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম রিপন আর নেই
দৌলতপুরসহ সারাদেশে এলপিজি সরবরাহ বন্ধ, বিপর্যস্ত ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা
জাজিরায় ভোররাতে বোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল বসতঘর- নিহত ১
যান্ত্রিক ত্রুটিতে দুই দিন ধরে বন্ধ যমুনা সার কারখানার উৎপাদন
কুষ্টিয়ায় দুইদিনব্যাপী আন্তঃস্কুল নারী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন
আন্তর্জাতিকঅনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল খাতের নিয়ন্ত্রণ নিল যুক্তরাষ্ট্র
খেলাসুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনা, বিলবাওকে ৫–০ গোলে বিধ্বস্ত করল ফ্লিকের শিষ্যরা
জাতীয়

জুলাইয়ে দাফনকৃত বেওয়ারিশ লাশের প্রতিবেদন হস্তান্তর

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার রায়ের বাজারে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা ১১৪ জনের মরদেহ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন বিভাগ (সিআইডি)। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন আজ প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই কার্যক্রমে স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সার্বিক সহায়তা প্রদান করে। গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রায়ের বাজার এলাকায় এই ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সিআইডি জানায়, নিখোঁজ স্বজনের সন্ধানে ইতোমধ্যে ৯টি পরিবার ডিএনএ নমুনা দিয়েছেন। পরীক্ষার মাধ্যমে এর মধ্যে ৮ জন শহীদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। সিআইডির ফরেনসিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শনাক্ত হওয়া সবাই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিহত হন।

শনাক্ত হওয়া শহীদেরা হলেন- শহীদ সোহেল রানা (৩৮), শহীদ রফিকুল ইসলাম (৫২), শহীদ আসাদুল্লাহ (৩২), শহীদ মাহিন মিয়া (৩২), শহীদ ফয়সাল সরকার (২৬), শহীদ পারভেজ বেপারী (২৩), শহীদ কাবিল হোসেন (৫৮) এবং শহীদ রফিকুল ইসলাম (২৯)।

এই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে সিআইডির উদ্যোগে ফরেনসিক বিজ্ঞানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ড. মরিস টিডবাল বিনজ পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

সিআইডি আরও জানিয়েছে, জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় যেসব পরিবারের সদস্য আন্দোলনে অংশ নিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন, তাদের সিআইডির হটলাইন নম্বর ০১৩২০০১৯৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তৎকালীন সরকারের সংঘটিত এই বর্বরতা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। নিজ দেশের নাগরিকদের হত্যা করে গণকবর দেওয়ার মতো ঘটনা কোনো সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাতীত।

তিনি বলেন, সত্য উদঘাটন ও শহীদদের পরিচয় ফিরিয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ নিখোঁজ পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এবং রাষ্ট্রের নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। এই ডিএনএ শনাক্তকরণ কার্যক্রম প্রমাণ করে- সত্যকে চিরদিন চাপা দেওয়া যায় না।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এটি শুধু একটি ফরেনসিক কার্যক্রম নয়; বরং নিখোঁজ পরিবারগুলোর চোখের পানি মুছে দেওয়া, রাষ্ট্রের মানবিক মুখ পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়বিচারের পথে এক সাহসী পদক্ষেপ।

বৈঠকে সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ বলেন, একজন শহীদের মা নিয়মিত সিআইডিতে এসে খোঁজ নিতেন এবং রায়ের বাজারে একটি নির্দিষ্ট কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতেন। আশ্চর্যজনকভাবে সেই কবর থেকেই তার সন্তানের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।

বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. কাজী গোলাম মোখলেসুর রহমান, সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিসের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

৩৪০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন