সর্বশেষ

জাতীয়জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল নিরঙ্কুশ জয়
দাবি না মানলে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ
সারাদেশজাজিরায় ভোররাতে বোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল বসতঘর- নিহত ১
যান্ত্রিক ত্রুটিতে দুই দিন ধরে বন্ধ যমুনা সার কারখানার উৎপাদন
আন্তর্জাতিকঅনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল খাতের নিয়ন্ত্রণ নিল যুক্তরাষ্ট্র
খেলাসুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনা, বিলবাওকে ৫–০ গোলে বিধ্বস্ত করল ফ্লিকের শিষ্যরা
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র ভিসায় বাংলাদেশিদের নতুন শর্ত: জামানত ১৫ হাজার ডলার

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:২৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন আর্থিক বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

মার্কিন সরকারের হালনাগাদ ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত হওয়ায় এখন থেকে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মার্কিন ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গত ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ডের আওতাভুক্ত দেশগুলোর তালিকা হালনাগাদ করে। নতুন তালিকায় বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব দেশের নাগরিকদের অস্থায়ী নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, বিশেষ করে বি১/বি২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে কনস্যুলার অফিসার চাইলে ভিসা বন্ড আরোপ করতে পারবেন।

পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো আবেদনকারী ভিসার সব শর্ত পূরণ করলেও তার ব্যক্তিগত প্রোফাইল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও সাক্ষাৎকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলার জামানত নির্ধারণ করা হতে পারে। এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসার লিখিত নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ জমা না দিতে আবেদনকারীদের সতর্ক করা হয়েছে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিসা বন্ড একটি পাইলট কর্মসূচির অংশ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থান বা ‘ওভারস্টে’ করার প্রবণতা কমানো। যেসব দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত আগস্টে সীমিত কয়েকটি দেশ নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়।

জামানতের অর্থ স্থায়ীভাবে কেটে নেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পেয়েও ভ্রমণ না করলে অথবা বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা পেলে এই অর্থ ফেরতযোগ্য। তবে কেউ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ভিসার স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করলে যেমন রাজনৈতিক আশ্রয় বা এসাইলাম চাইলে জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।

এ ছাড়া ভিসা বন্ডের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রেও নতুন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের নির্দিষ্ট তিনটি বিমানবন্দর-বোস্টন লোগান (BOS), নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (JFK) ও ওয়াশিংটন ডুলস (IAD)-দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে। এর বাইরে অন্য কোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করলে বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের ঝুঁকি থাকবে।

বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডাসহ আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ। বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে এই নীতি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কার্যকর হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে। পর্যটন, ব্যবসা কিংবা ব্যক্তিগত সফরের ক্ষেত্রে বাড়তি আর্থিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে।

১৯৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন