মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সাত নির্দেশনা জারি
রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে।
এ বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করার ক্ষেত্রে সাতটি নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
শনিবার এসব নির্দেশনা প্রার্থীদের মধ্যে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে নির্ধারিত ফরমেটে স্মারকলিপি আকারে দাখিল করতে হবে। আপিলের সঙ্গে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ উল্লেখ করে বিবৃতি এবং সংশ্লিষ্ট আদেশের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে হবে।
আপিল আবেদনের একটি মূল কপিসহ মোট সাতটি কপি জমা দিতে হবে। আবেদন জমা দিতে হবে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থাপিত আপিল গ্রহণ কেন্দ্রের নির্ধারিত বুথে। আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আপিল দায়ের করা যাবে। এছাড়া আপিল কর্তৃপক্ষের রায়ের কপি পেতে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে, যা কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আপিলকারী বা তাঁর মনোনীত প্রতিনিধি রায়ের কপি গ্রহণ করতে পারবেন।
চিঠিতে আরও জানানো হয়, আপিলের জন্য নির্বাচন ভবনে মোট ১০টি বুথ থাকবে। অঞ্চলভিত্তিকভাবে এসব বুথে বিভিন্ন জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলভুক্ত জেলার জন্য আলাদা আলাদা বুথ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জাপা), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল মোট ২ হাজার ৯১টি মনোনয়নপত্র জমা দেয়। যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপির প্রধান তারেক রহমান, জামায়াতের আমির মো. শফিকুর রহমান, এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং খেলাফত মজলিসের মামুনুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে নানা কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলও করা হয়েছে।
১২৬ বার পড়া হয়েছে