বাণিজ্য মেলা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বানী
শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:৫২ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-এ অংশগ্রহণকারী দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৬ উপলক্ষে ৩১ ডিসেম্বর জারি করা এক বাণীতে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই মেলা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রসঙ্গত, মেলাটি প্রথমে ১ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে সময়সূচি পরিবর্তন করে ৩ জানুয়ারি থেকে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন, যা বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করে। তিনি দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিত হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে ডিআইটিএফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। মাসব্যাপী এই মেলা দেশীয় গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য দেশি-বিদেশি দর্শক, ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সামনে উপস্থাপনের পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা দিতে সহায়ক হচ্ছে।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং এই লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি কার্যকর অনুঘটক হতে পারে। তিনি আশা করেন, মেলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি, পণ্য বহুমুখীকরণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।
সবশেষে প্রধান উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে কাজ করলে মেলাটি ক্রেতাবান্ধব ও উৎসবমুখর আয়োজনে পরিণত হবে। তিনি ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা–২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
১২৭ বার পড়া হয়েছে