সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল সফরে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ৮:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
আজ ইসরায়েল সফরে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরের অংশ হিসেবে তিনি ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দেবেন এবং এরপর মিশরের শারম আল শেখ শহরে অনুষ্ঠিতব্য একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে যোগ দেবেন।

সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারসহ অন্তত ২০টি দেশের নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির আওতায় হামাসের কাছ থেকে মুক্তি পাওয়া সাতজন ইসরায়েলি জিম্মি রোববার রাতে ইসরায়েলে পৌঁছেছেন। আজ সোমবার আরও ১৩ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে। অপরদিকে, ইসরায়েলি কারাগার থেকে প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনির মুক্তির অপেক্ষা চলছে। বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া ও যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে আন্তর্জাতিক মহলে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্মেলনটি গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক স্টিফেন জিউনেস বলেন, “এবার যুদ্ধবিরতিকে কার্যকর রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের, বিশেষ করে ওয়াশিংটনের, দৃঢ় মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া নেতানিয়াহুর পক্ষে চুক্তি ভঙ্গ করা কঠিন হবে।”

তবে শান্তি উদ্যোগ নিয়ে রয়েছে সমালোচনাও। কাতারের দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে গৃহীত এই শান্তি প্রচেষ্টা মূলত জিম্মি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

তিনি বলেন, “এই উদ্যোগে কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা কাঠামোগত সমাধানের রূপরেখা নেই। পশ্চিম তীরের দখল, গাজার ওপর অবরোধ, কিংবা সংঘাতের মূল কারণগুলো নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।”

এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনায় ‘গুরুতর অস্পষ্টতা’ রয়েছে বলে জানান এলমাসরি। বিশেষ করে, ইসরায়েল কীভাবে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে, সেই বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট কিছু বলা হয়নি।

পাশাপাশি তিনি পশ্চিমা গণমাধ্যমেরও সমালোচনা করেন, যারা ইসরায়েলি জিম্মিদের প্রতি অধিক মনোযোগ দিচ্ছে, অথচ ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিষয়টি প্রায় উপেক্ষিত থাকছে বলে অভিযোগ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে কেবল একটি যুদ্ধবিরতির ঘোষণাই যথেষ্ট নয়—প্রয়োজন একটি টেকসই, ন্যায্য ও দ্বিপক্ষীয় শান্তিচুক্তি, যা মূল সমস্যাগুলোর সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

৩১৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন