সর্বশেষ

মুক্তিযুদ্ধ

ডাকসু আর্কাইভে ইতিহাসের বিতর্ক, মুছে ফেলা যাবে না বাংলাদেশের পথ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু আর্কাইভে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, আবদুল মালেক ও গোলাম আযমের ছবি প্রদর্শনকে ঘিরে নতুন করে ইতিহাসের বিতর্ক সামনে এসেছে। ছবি ছেঁড়া বা পদদলিত করার বদলে নথি, বক্তব্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে অতীতকে দেখার প্রয়োজনীয়তাই এ বিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ

আজকের তরুণরা অনেকেই কি জানে, দারুল উলূম দেওবন্দ পড়ুয়া মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ছিলেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সভাপতি। যার অধীনে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শেখ মুজিবুর রহমান। সময়কাল : ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি। দলটির প্রথম সভাপতিও যে আরেকজন দেওবন্দপড়ুয়া আলেম, সে কথা না হয় আজ অনুল্লেখ্য রইল। আবদুর রশীদ তর্কবাগীশই ১৯২৩ সালে মহানবী (সা.)-এর বিরুদ্ধে রচিত অশ্লীল গ্রন্থ ‘রঙ্গীলা রসুল’ এবং আর্যসমাজের শুদ্ধি অভিযানের বিরুদ্ধে মুসলমানদের সংঘটিত করে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন।

আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানি ৩১ আগস্ট

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আবুল কালাম আযাদের করা আপিলের শুনানি পিছিয়ে ৩১ আগস্ট ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। সোমবার শুনানি শেষে বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

১৫ আগস্ট: বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়

আজ ১৫ আগস্ট, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে এই দিনটি এবার আগের মতো উৎসবমুখর নয়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় গত দুই বছর ধরেই রাষ্ট্রীয় বা দলীয় কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই এই দিনটিতে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মৈত্রীস্তম্ভ উদ্বোধন

মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নির্মিত মৈত্রীস্তম্ভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকা আড়াল করেই ইতিহাসের প্রদর্শনী?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রায় আট দশকের ঘটনাপ্রবাহ আলোকচিত্রে তুলে ধরেছে জামায়াতে ইসলামী। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ, পাকিস্তানি শাসন, মুক্তিযুদ্ধ, সামরিক শাসন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান—সবই ঠাঁই পেয়েছে রাজধানীর মিন্টো রোডে আয়োজিত প্রদর্শনীতে। কিন্তু সেই ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ভূমিকা সেখানে অনুপস্থিত।