সর্বশেষ

জুলাই সনদ

জুলাই সনদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই সংস্কারবিরোধিতা নয়

একটি রাষ্ট্র যখন বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, তখন শুধু ক্ষমতার পালাবদলই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন হয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতাও সেই প্রয়োজনের সামনে দাঁড়িয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, নির্বাচনব্যবস্থা, সাংবিধানিক কাঠামো এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, তার কেন্দ্রে উঠে এসেছে জুলাই সনদ।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
বিদায়ী ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস নতুন বাংলাদেশের সূচনা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান

এবারের নির্বাচন কেবল একটি ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নয়, এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে।

কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

বহুল আকাঙ্ক্ষিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন।

দেশের রাজনৈতিক ঐক্য দৃঢ় হয়েছে: মুহাম্মদ ইউনূস

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হওয়ার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ঐক্য দৃঢ় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই সনদে স্বাক্ষরকারীরা যেন মনে রাখেন, তারা একটি সুন্দর নির্বাচনের জন্য একসঙ্গে কাজ করছেন।

সংবিধান আদেশের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের সুপারিশ

‘জুলাই সনদ’-এর সাংবিধানিক বিষয়গুলো সংবিধান আদেশ (কনস্টিটিউশন অর্ডার) মারফত বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সুপারিশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া বিকল্প নেই: প্রধান উপদেষ্টা

রাষ্ট্রের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই সনদ থেকে পশ্চাৎপটে সরে যাওয়া সম্ভব নয়; ইতিমধ্যে যে সমঝোতার পথ শুরু হয়েছে, সেটি স্থায়ী হতে হবে।