সর্বশেষ

সারাদেশ

হাকিমপুর থানায় সাংবাদিকের মোবাইল ভাঙচুর, আসামির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

মুসা মিয়া, হিলি
মুসা মিয়া, হিলি

সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দিনাজপুরের হাকিমপুর থানার ভেতরে ভিডিও ধারণের সময় এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে অপহরণ মামলার আসামি ইমন (ইমন) এর বিরুদ্ধে।

পুলিশের উপস্থিতিতেই তিনি সাংবাদিকের হাত থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে মাটিতে আছড়ে ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাকিমপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর হাকিমপুর উপজেলা প্রতিনিধি মো. মোকছেদুল মমিন মোয়াজ্জেম, সময় টেলিভিশনের হিলি প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম এবং রাইজিংবিডির দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি মোসলেম উদ্দিনসহ কয়েকজন সাংবাদিক থানায় যান। সেখানে হাজতখানা থেকে অপহরণ মামলার আসামি ইমনকে গণমাধ্যমের সামনে আনার সময় পুলিশের অনুমতি নিয়েই তারা ভিডিও ধারণ শুরু করেন।

এ সময় আসামি ইমন হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক মোয়াজ্জেমের হাত থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন এবং মাটিতে আছড়ে ফেলে ভাঙচুর করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ডিউটি অফিসারসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা এ ঘটনায় কোনো প্রতিবাদ করেননি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা অভিযুক্ত ইমনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

হাকিমপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ ইমাম কবির বলেন, “থানার ভেতরে সাংবাদিকের সঙ্গে এমন ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। একজন সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করবেই। আসামির এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

পরে সাংবাদিকরা থানায় গিয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি)কে না পেয়ে ডিউটি অফিসার এসআই নাজনীন সুলতানার সঙ্গে কথা বলতে গেলে তার বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে। এরপর তারা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মাহফুজুর রহমানকে মৌখিক অভিযোগ জানান।

এসআই মাহফুজুর রহমান বলেন, ওসি থানার বাইরে ছিলেন। বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে থানার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মার্চ রাতে হাকিমপুর উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা মেহের আলীকে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির লোভে তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও জামাই ইমন অপহরণ করেন। এ ঘটনায় মেহের আলীর বর্তমান স্ত্রী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে গত ১১ এপ্রিল পুলিশ বগুড়া থেকে মেহের আলীকে উদ্ধার করে এবং রোববার রাতে বাংলাহিলি বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত ইমনকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার দুপুরে তাকে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

২১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন