সর্বশেষ

সারাদেশ

ভালুকায় খীরু নদীতে পাকা সেতুর অভাবে চরম ভোগান্তি, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল ১০ গ্রামের মানুষের

আওলাদ রুবেল, ময়মনসিংহ
আওলাদ রুবেল, ময়মনসিংহ

বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ৪:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার খীরু নদীর ওপর দীর্ঘদিন ধরে কাঠ ও বাঁশের তৈরি অস্থায়ী সেতু দিয়েই চলাচল করছেন দুই পাড়ের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ। উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে এখনো নির্মিত হয়নি কোনো স্থায়ী সেতু, ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো বাসিন্দাকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে এলাকায় সড়ক, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ হলেও খীরু নদীর পনাশাইল বাজার ঘাটে একটি পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে কৃষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।

জানা গেছে, শুকনো মৌসুমে ইজারাদারের তৈরি বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা। এই সাঁকো দিয়ে মানুষ পার হতে পারলেও কৃষিপণ্য বা ভারী মালামাল পরিবহন সম্ভব নয়। ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বাজারে নিতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এছাড়া প্রতিবার পারাপারের জন্য ইজারাদারকে অর্থ দিতে হয়।

অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে সাঁকো না থাকায় নৌকাই একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়। তবে এ সময়েও দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে, অতীতে নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এলাকার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও ভূমি অফিস নদীর এক পাশে অবস্থিত হওয়ায় যোগাযোগের এই দুরবস্থা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। জরুরি রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রেও ভোগান্তি চরমে—ভালুকা সদর হাসপাতাল কাছাকাছি হলেও ঘুরপথে ১৫-২০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত পনাশাইল বাজার ঘাটে একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, খীরু নদীর ওপর একটি ‘ওয়াই টাইপ’ সেতু নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন ও বরাদ্দ পেলেই নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।

১৩০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন