কুমারখালীর গোলাবাড়ি পুকুর
বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬ ৩:০১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
এ আমার শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিবাহী গোলাবাড়ি পুকুর। বিশাল দিঘির মত প্রশস্ত টলটলে পানি।
বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অনেক পুকুর দেখেছি। কিন্তু এই পুকুরের স্পর্শ স্মৃতির দরজা জানালা খুলে দেয়।
দূর শৈশবে সাঁতার শিখেনি যখন, প্রতিবেশী সুনিতি দিদি কিংবা মিনতি দিদির কাঁধে ঝুলতে ঝুলতে ওদের সাঁতরানো উপভোগ করতাম। ভারী ভালো লাগতো। কতসব কল্পকাহিনী শুনতাম। জলের অতল গভীরে রয়েছে দেও দৈত্য, বিশাল বিশাল গজাড় মাছ যেগুলো আমাদের মত বাচ্চাদের খপ করে গিলে খেয়ে আনন্দ পায়।
গোপন সুরঙ্গ পথে নদীর সঙ্গে ছিল যোগাযোগ তাই বর্ষায় পুকুর ভরে উঠতো।
আরেকটু বড় হলে পুকুরে নেমে ঘন্টার পর ঘন্টা ঝাঁপিয়েছি আর ঝাঁপিয়েছি। চোখ লাল হয়ে যেত কিন্তু উঠার নাম নেই। জগতের যত সুখ যেন পানিতে ঝাঁপানো। কতবার যে এপার ওপার করেছি তার ইয়ত্তা নেই।
একইসঙ্গে ছিপ দিয়ে মাছ ধরেছি : পুটি টেংরা কখনো কখনো দু একটি বড় মাছ।
কালের বিবর্তনে পুকুরটি কচুরিপানায় ভরে যায়। এই ছবিটি কয়েক বছর আগের। এখন কচুরিপানায় ভরে গেছে। কুমারখালী ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন একটু হস্তক্ষেপ করায় সম্ভবত কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
স্মৃতির গোলাবাড়ি পুকুর আমাদের স্মৃতিতে অবিনশ্বর।
লেখক: সাবেক সচিব।
(লেখাটি লেখকের ফেসবুক থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে)
১২৭ বার পড়া হয়েছে