পুনঃউদ্ধারে কাজ করছে সরকার, বন্ধ পাটকল চালুতে উদ্যোগ: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬ ৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি বলেছেন, বাংলার ঐতিহ্য ও ইতিহাসের সাক্ষী প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মুসলিম কাপড় পুনঃউদ্ধারে কাজ করছে সরকার।
তিনি জানান, জামদানি ভিলেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তারা পরিদর্শনে এসেছেন। জামদানি শিল্পের ঐতিহ্য অন্বেষণে তারা সুদূর ইংল্যান্ড পর্যন্ত গিয়েছেন এবং সেখান থেকে এ শিল্পের ঐতিহ্য সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খুঁজে বের করে দক্ষ কারিগরদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এ ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে গবেষণা কার্যক্রমসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার নোয়াপাড়া এলাকায় জামদানি ভিলেজ প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় পাট শিল্প প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বন্ধ পাটকলগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পাটকল চালু হয়েছে এবং আরও অনেকগুলো চালুর প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এতে দেশে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাট শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার নানা কার্যক্রম চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী দেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্পের উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন জামদানি ভিলেজ প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং স্থানীয় তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়া আব-ই-রওয়ান প্রদর্শনী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী মসলিন কাপড় তৈরির বিভিন্ন ধাপও ঘুরে দেখেন। চরকার মাধ্যমে কাঁচা তুলা থেকে সুতা তৈরি এবং সেই সুতা দিয়ে কাপড় বুননের প্রক্রিয়া তিনি পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি গ্যালারিতে প্রদর্শিত মসলিন সুতার তৈরি কাপড়ও পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, তাঁত বোর্ডের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, সদস্য দেবাশীষ নাগ, যুগ্মসচিব মো. জাহিদ হাসান, প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলী, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক মো. কুতুব উদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
১২৭ বার পড়া হয়েছে