জ্বালানি সরবরাহ: চট্টগ্রামে নোঙর করেছে আরও ৫ জাহাজ
বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬ ৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় নোঙর করেছে আরও ৫টি জাহাজ, যাতে দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যায়।
এর মধ্যে তিনটি জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাসের জন্য বার্থিং দেওয়া হয়েছে ডলফিন জেটিতে।
বুধবার সকাল থেকে এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাস শুরু হয়েছে। জাহাজ তিনটিতে রয়েছে হাই সালফার ফুয়েল অয়েল। অপর দুটি জাহাজে রয়েছে এলপিজি ও এলএনজি। এই দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে অবস্থান করছে। এসব জাহাজ থেকে ছোট ছোট লাইটার জাহাজের মাধ্যমে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। এর মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ আসছে। এসব জাহাজের বেশিরভাগই যুদ্ধ পরিস্থিতির তীব্রতা বাড়ার আগে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল। প্রায় দুই সপ্তাহে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে তেল ও গ্যাসবাহী ২৩টি বড় জাহাজ পৌঁছেছে। এর মধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে সিঙ্গাপুর, ভারত ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি ১৫ মার্চ বন্দরের জলসীমায় নোঙর করেছে। জাহাজটিতে রয়েছে প্রায় ৫০০০ টন গ্যাস অয়েল। ‘এলপিজি সেভেন’ নামে অপর একটি জাহাজ ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে ৮ মার্চ কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ৭ হাজার ২০ টন এলপিজি খালাস করা হয়েছে।
এদিকে, আগামী ২৩ মার্চের মধ্যে বন্দরে আসছে আরও চারটি জ্বালানিবাহী জাহাজ। এগুলো এঙ্গোলা, ওমান, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড থেকে আসার কথা রয়েছে। এই চার জাহাজের মধ্যে দুটিতে এলপিজি, একটিতে এলএনজি এবং অপরটিতে বেইজ অয়েল রয়েছে। এর ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট অনেকটাই কেটে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বন্দরের জলসীমায় থাকা এসব জাহাজ থেকে দ্রুত জ্বালানি তেল খালাসে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
১২৭ বার পড়া হয়েছে