জাল সনদের অভিযোগ কুমারখালীর বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিরিনা খাতুনের বিরুদ্ধে
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬ ৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কুশরীবাসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) শিরিনা খাতুনের বিরুদ্ধে জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিরিনা খাতুন সমন্বয় পরিষদ সমাজসেবা অধিদপ্তর, মেহেরপুর থেকে একটি প্রশিক্ষণ সনদ সংগ্রহ করেন। সনদটির ক্রমিক নম্বর ০৫০ এবং ইস্যুর তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১১। তবে ওই সনদে উল্লেখ রয়েছে যে প্রশিক্ষণের সময়কাল ছিল ১ জানুয়ারি ২০১১ থেকে ৫ জুলাই ২০১১ পর্যন্ত। ফলে প্রশিক্ষণ শুরুর দিনেই সনদ ইস্যু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তর, মেহেরপুরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, তাদের দপ্তরে এ ধরনের কোনো সনদের নথিপত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, ওই সনদের ভিত্তিতেই শিরিনা খাতুন ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ১০ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তার নিবন্ধন পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২০১৪১০১৫৪৪৩৪ এবং রোল নম্বর ৩১৩২২০৪৫০ বলে জানা গেছে।
পরবর্তীতে তিনি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান এবং এমপিওভুক্তও হন। তবে কীভাবে ওই সনদ যাচাই-বাছাই করে এমপিওভুক্ত করা হলো—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
১০৬ বার পড়া হয়েছে