খুলনায় দরিদ্র নারীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬ ৬:৫২ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দরিদ্র নারীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) খালিশপুরের হাজী শরিয়ত উল্লাহ বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ২৩ দিনের মধ্যেই নারীদের স্বাবলম্বী করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি তারই বাস্তব প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জুন মাসে বাজেট ঘোষণার পর এই কর্মসূচি আরও বিস্তৃত আকারে সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখে খুলনার শিল্পখাতকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল-কলকারখানা চালুর মাধ্যমে খুলনাকে আধুনিক শিল্পনগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড এবং ইমাম ও পুরোহিতদের সহায়তা কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে। জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক, কেএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উপকারভোগীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
উল্লেখ্য, কেসিসির ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথম পর্যায়ে মোট ৫ হাজার ২৭৫ জন উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে উদ্বোধনী দিনে ৪ হাজার ১৫৮ জনের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হয়। বাকি কার্ডগুলো পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
১২৭ বার পড়া হয়েছে