কক্সবাজারে এলপিজি গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০ জন দগ্ধ
বৃহস্পতিবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোন কলাতলী এলাকায় নতুন স্থাপিত একটি এলপিজি গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
তাদের মধ্যে ৬ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
দগ্ধদের মধ্যে দু’জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণের পর ছাড়পত্র পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে প্রথমে গ্যাস পাম্পটিতে লিকেজ শুরু হয় বলে জানান কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও পরবর্তীতে রাতে দ্বিতীয় দফায় গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুনরায় আগুনের সূত্রপাত হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর মোট নয়টি ইউনিট যৌথভাবে কাজ করে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও একটি ইউনিট রিজার্ভ রাখা হয়। রাত প্রায় ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও গ্যাস লিকেজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে আশপাশের অন্তত কয়েকটি বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা পুড়ে যায়। এছাড়া প্রায় ৩০টি গাড়ি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দগ্ধদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—চকরিয়ার সিকদারপাড়ার মিজানুর রহমানের ছেলে সাকিব (২৪), রামুর জোয়ারিয়ানালার আবুল হোসেনের ছেলে মো. সিরাজ (২৪), কলাতলীর মৃত জাকারিয়ার ছেলে আব্দুর রহিম (৪৫), আদর্শ গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে মোতাহের (৪৫), কক্সবাজার পৌরসভার বাহারছড়ার কালামিয়ার ছেলে কামরুল হাসান (৩০), আবু তাহের (৪৫), মেহেদী (২৬), খোরশেদ আলম (৫৩) এবং টিটন সেন (৪০)।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি), জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
১১৯ বার পড়া হয়েছে