সাতক্ষীরায় চার আসনেই জামায়াতের জয়, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত জেলা গড়ার অঙ্গীকার
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭:১৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থীরা। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জেলাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মিথ্যা মামলা-মুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আফরোজা খানম আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি নির্বাচিত প্রার্থীদের হাতে ফলাফলের কপি তুলে দিয়ে অভিনন্দন জানান।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে হাফেজ রবিউল বাসার এবং সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে গাজী নজরুল ইসলাম বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
ফলাফল ঘোষণার পর অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ বলেন, সাতক্ষীরার কোনো মানুষকে আর হয়রানি ও মিথ্যা মামলার শিকার হতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও আস্থার প্রতিদান দিতে তাঁরা কাজ করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নেরও অঙ্গীকার করেন তিনি।
সাতক্ষীরা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, জেলার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত সাতক্ষীরা গড়াই হবে তাঁদের অগ্রাধিকার।
সাতক্ষীরা-৩ আসনের বিজয়ী হাফেজ রবিউল বাসার বলেন, জনগণ দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার জন্য তাঁদের নির্বাচিত করেছেন। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে তিনি কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
উপকূলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, সকল প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে রাস্তাঘাটসহ জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁরা নিরলসভাবে কাজ করবেন।
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, এখন কে ভোট দিয়েছে বা দেয়নি তা বিবেচ্য নয়; জেলার সব মানুষই তাঁদের। দীর্ঘদিন অধিকারবঞ্চিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নই নতুন সংসদ সদস্যদের প্রধান লক্ষ্য হবে বলে তিনি জানান।
ফল ঘোষণা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ছাত্রশিবির ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৪৪ বার পড়া হয়েছে