চুয়াডাঙ্গার দুই আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, নারী ভোটারদের সরব উপস্থিতি
বৃহস্পতিবার , ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৩:২৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ এই দুটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য, যা নির্বাচনের অন্যতম ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১২ তারিখ) সকাল সাড়ে ৭টায় একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে। কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ কেন্দ্রে পুরুষ ও নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। অনেক নারী ভোটার সকালেই কেন্দ্রে এসে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রদান করেন।
নির্বাচন ঘিরে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন ছিল। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সেনাবাহিনী, র্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের টহল ছিল জোরদার। ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে কোনো ধরনের জটলা করতে দেওয়া হয়নি।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। নারী ভোটাররা জানান, অতীতের তুলনায় এবার তারা আরও বেশি আগ্রহ ও উৎসাহ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন। অনেকেই সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে আসেন, যা কেন্দ্রগুলোতে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করে।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, নির্বাচন সার্বিকভাবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি প্রায় ২৫টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বলে জানান এবং অধিকাংশ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি দেখেছেন। তার ধারণা, এ আসনে ভোটের হার ৭০ শতাংশের বেশি হতে পারে। নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি তাকে আশাবাদী করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আগাম সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স সিলগালা করে ফলাফল সংগ্রহ ও গণনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
সব মিলিয়ে চুয়াডাঙ্গার দুই আসনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ ভোটার, প্রার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে সন্তোষ দেখা গেছে। বিশেষ করে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক চর্চায় ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
১৫০ বার পড়া হয়েছে