ভোটাধিকার প্রয়োগে বাড়ি ফিরছে মানুষ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চাপ
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৮:১২ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
ভোটাধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকা থেকে নিজ নিজ এলাকায় ছুটে চলেছে হাজারো মানুষ।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যাত্রীবাহী বাস, পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলের চলাচল বেড়ে যেতে দেখা যায়। বিশেষ করে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট অভিমুখে যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই ভোট দিতে আগ্রহী যাত্রীরা গাড়িতে করে নিজ নিজ গন্তব্যের পথে রওনা দেন। যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষজন পিকআপ ভ্যানে করে এবং অনেকে মোটরসাইকেলেও যাত্রা করছেন।
হাইওয়ে পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি যানবাহন ও যাত্রীর চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম সবুজ জানান, তিনি ঢাকার একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। নির্বাচনে ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোরে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন তিনি। তার ভাষ্য, 'ভোট দেওয়া আমার নাগরিক অধিকার। আমার একটি ভোটেই প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে-এই ভাবনা থেকেই বাড়ি যাচ্ছি। যদিও নবীনগরে কিছুটা যানজট ছিল, তবুও বাড়ি ফেরার আনন্দটাই বেশি।'
এদিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাসিন্দা নোয়াব আলী বলেন, তিনি সাভারের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। নির্বাচনের কারণে কারখানায় ছুটি থাকায় পরিবারের সঙ্গে ভোট দিতে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। তিনি জানান, সকালে নবীনগরে গাড়ি না পেয়ে পিকআপ ভ্যানে করে পাটুরিয়া ঘাটের দিকে রওনা দিতে হয়েছে।
গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান কৌশিক আহমেদ বলেন, 'নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।'
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম আব্দুস সালাম জানান, যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও নির্বিঘ্ন পারাপারের জন্য ছোট-বড় মিলিয়ে ১৪টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে।
১২৯ বার পড়া হয়েছে