সর্বশেষ

জাতীয়খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে বাংলাদেশ” : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
র‌্যাব, স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও সিআইডি প্রধান পদে পরিবর্তন আনল সরকার
২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা, দুর্নীতির সুযোগ নেই: আমির খসরু
ভোটের কালি মোছার আগেই তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু : দুলু
আজ থেকে বিমানবন্দর স্টেশনে থামবে না ঢাকাগামী ৯ ট্রেন
সারাদেশমোংলা বন্দরে ঈদ উপলক্ষে শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
গাজীপুরে ‘গাছা খাল’ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের কাজ শুরু
নরসিংদীতে মহিষাখালী খালের খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
কুয়াকাটায় সরকারি জমি থেকে রেইন-ট্রি চুরি, শ্রমিক নেতাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
'জাল যার, জল তার' নীতি মেনে কাজ করা হবে: নুরুল হক নূর
চট্টগ্রামে বিভিন্ন বাস কাউন্টারে অভিযান: ১১ হাজার টাকা জরিমানা
পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ স্নেহাংশু সরকারের
ইরানে মার্কিন-ইসরাইয়েল হামলা বন্ধের দাবিতে মাগুরায় বিক্ষোভ সমাবেশ
বরিশালে পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে পুলিশের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা: ৩জন গ্রেপ্তার
মাগুরা জেলা পরিষদে প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আলি আহমদ
শেকড় ভুলে গেলে ৫ আগস্ট বার বার ফিরে আসবে: পাবনায় প্রতিমন্ত্রী
খাল খননের মাধ্যমে গোপালগঞ্জে ব্যাপক কৃষি উন্নয়ন হবে : প্রতিমন্ত্রী
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিদেশে আটকে পড়া যাত্রীদের ফেরাতে ব্যবস্থা: পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাসুদ রানা প্রধান
কলাপাড়ায় ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি, বিক্রেতাকে লাখ টাকা জরিমানা
জয়পুরহাটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকনের দায়িত্ব গ্রহণ
কাটাগাং খাল পুনঃখননের উদ্বোধন: কৃষি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ
বরিশাল জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন
শেরপুরে বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, চারজন আহত
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা দেন নতুন প্রশাসক হারুনুর রশীদ
ঝিনাইগাতীর ইউপি সদস্য ও সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি
নাটোরে অন্যায়-সন্ত্রাসের জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন এম রুহুল কুদ্দুস দুলু
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শারমিন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন
কুমিল্লাকে আধুনিক পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ইউসুফ মোল্লা টিপুর
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিলকিস জাহান
তারাকান্দায় গর্তের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
কলাপাড়ায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বিপাকে পরিবহন চালক ও জেলেরা
ঈদ যাত্রা: ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ
ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এম এ মজিদ
নওগাঁয় খাল খনন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু
গোপালগঞ্জে আলাদা অভিযানে ২২৫ বোতল কাশি সিরাপসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
নিখোঁজের তিন মাস পর মুকসুদপুরে যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার
আন্তর্জাতিকহরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না অস্ট্রেলিয়া ও জাপান
শত্রুদের তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ইরান
ড্রোন–সংক্রান্ত ঘটনার পর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট স্থগিত
খেলাবাতিল হয়ে গেল আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফিনালিসিমা
রোমাঞ্চকর ফিনিশে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
মতামত

ট্রাম্পের এক বছরে মন্দ–ভালো

মনজুর এহসান চৌধুরী
মনজুর এহসান চৌধুরী

বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ৬:২২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ওয়াশিংটনে দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছর শেষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ক্ষমতায় ফেরার পর অভিবাসন, সীমান্ত, পররাষ্ট্রনীতি, বাণিজ্য ও অভ্যন্তরীণ শাসনে একের পর এক কড়া ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তে দেশ–বিদেশে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি; সমালোচকদের ভাষায় এটি ছিল “অভিযান আর প্রতিশোধের বছর”, সমর্থকদের মতে “কঠোর নেতৃত্বের প্রত্যাবর্তন”।

মন্দ কাজের এক বছর

ক্ষমতায় ফিরেই ট্রাম্প ভেনিজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত ও গ্রেপ্তার করান; তেল–রাজনীতিনির্ভর এই ‘রেজিম চেঞ্জ’ পদক্ষেপকে লাতিন আমেরিকা ও আন্তর্জাতিক মহল সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নজিরবিহীন উদাহরণ হিসেবে নিন্দা করেছে। একই সময়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা ও লাগাতার হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যদিও ওয়াশিংটন এটাকে “নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ” বলে ব্যাখ্যা করছে।

ইউক্রেন ইস্যুতে কড়াকড়ি সহায়তার বদলে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে প্রকাশ্য ঝগড়া, লাইভ বৈঠকে অপমানজনক মন্তব্য ও কিয়েভের ওপর সমঝোতার চাপ ট্রাম্পকে রাশিয়ার পক্ষে নরম অবস্থানে রেখেছে—এমন অভিযোগ উঠেছে পশ্চিমা কূটনৈতিক মহলে। মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কেও কানাডা ও ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর নতুন ট্যারিফ ও ট্যারিফ–হুমকি, কানাডাকে ‘৫১তম স্টেট’ বানানোর দাবি এবং গ্রিনল্যান্ড “অধিগ্রহণ”–সুলভ বক্তব্য ন্যাটো–মিত্রতার ভেতর গভীর অস্বস্তি তৈরি করেছে।

ভেতরে, অভিবাসন ও সীমান্তনীতিতে জরুরি অবস্থা জারি, ব্যাপক রেইড ও ডিপোর্টেশনে অবৈধ প্রবেশ কমলেও আশ্রয়–প্রক্রিয়া কার্যত বন্ধের মুখে এবং শরণার্থী গ্রহণ ন্যূনতম পর্যায়ে নামায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তীব্র হয়েছে। জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট, এফবিআই ও ফেডারেল আমলাতন্ত্রে দল–ঘনিষ্ঠদের বসিয়ে বিচারব্যবস্থা রাজনৈতিকীকরণ, ৬ জানুয়ারির দাঙ্গা–সম্পৃক্ত অসংখ্য ব্যক্তিকে ক্ষমা এবং বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও মিডিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত–ফান্ড কেটে সমালোচক–দমন—এসবকেই বিশ্লেষকেরা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন।

অর্থনীতিতে বাজেট ঘাটতি কমানোর যুক্তিতে SNAP–খাদ্যসহ সামাজিক সেফটি–নেট কর্মসূচি ও নানা কল্যাণ–স্কিমে বড় কাটছাঁটে নিম্ন আয়ের পরিবার, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জলবায়ু–বিধিনিষেধ শিথিল, গ্রিন ফান্ড কমানো ও সরকারি ডাইভারসিটি–ইক্যুইটি–ইনক্লুশন (DEI) কর্মসূচি বন্ধের ফলে জলবায়ু–অভিযান ও সংখ্যালঘু অধিকারের অগ্রগতি উল্টোদিকে ঘুরেছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন অধিকারকর্মীরা। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে নীতি–বিরোধী বিক্ষোভে ফেডারেল বাহিনী ও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন, কড়া দমন–নীতিকে নাগরিক স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক সঙ্কেত হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

ভালো কাজের এক বছর

সব সমালোচনা সত্ত্বেও অপরাধ ও মাদক দমনে কিছু সূচকে উন্নতি দেখা গেছে; কয়েকটি বড় শহরে হত্যাকাণ্ড ও সহিংস অপরাধের হার কমা এবং ফেন্টানিলসহ বিপজ্জনক মাদক জব্দের পরিমাণ বাড়াকে ট্রাম্প প্রশাসন “ল অ্যান্ড অর্ডার” নীতির বাস্তব সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে। অর্থনীতিতে দেশীয় তেল–গ্যাস উত্তোলন বাড়িয়ে জ্বালানির দাম কিছুটা কমানো, নির্দিষ্ট মধ্যবিত্ত ও সিনিয়র নাগরিকদের জন্য কর–রাহাত এবং দেশীয় বিনিয়োগ ও রি–শোরিং উৎসাহিত করার পদক্ষেপ ব্যবসা ও শিল্প খাতে আংশিক স্বস্তি এনেছে।

পররাষ্ট্রনীতিতে ইসরায়েল–হামাস সংঘর্ষে গাজায় যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে, তা এক বছরের মাথায় বড় ধরনের ভাঙন ছাড়া টিকে থাকায় ট্রাম্প নিজেকে শান্তি–উদ্যোগের দাবিদার হিসেবে সামনে এনেছেন, যদিও একই সঙ্গে ইরান–ভেনিজুয়েলা ইস্যুতে আগ্রাসী পদক্ষেপের সমালোচনা জারি রয়েছে। ন্যাটো মিত্রদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে প্রবল চাপ, ইন্দো–প্যাসিফিকে চীনা প্রভাব ঠেকাতে ফিলিপাইনসহ আঞ্চলিক জোট জোরদার এবং কিছু লাতিন দেশে চীন–ঘেঁষা প্রকল্প পুনর্বিবেচনার উদ্যোগকে সমর্থকরা কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখছেন।

ফেডারেল রেগুলেশন ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর পদক্ষেপও ব্যবসা–মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে; ট্রাম্প শিবিরের ভাষায় “রেড টেপ কাটছাঁটে” নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যদিও সমালোচকেরা এর সামাজিক ও পরিবেশগত মূল্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এক কথায়, দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরে ট্রাম্পের নীতিতে মন্দের তালিকা যত দীর্ঘ হয়েছে, সমর্থক–মহলে অপরাধ দমন, কিছু অর্থনৈতিক সূচক, গাজা যুদ্ধবিরতি ও চীন–প্রভাব মোকাবিলার মতো কয়েকটি দিককে ভালো কাজ হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে।


এক বছরে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে যেমন কঠোর নিরাপত্তা–অর্থনীতি ও আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির পথে এগিয়েছে, তেমনি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার ও মিত্রতার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তাও তৈরি করেছে। সমর্থক ও সমালোচকের তীব্র বিভাজনের ভেতর দিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদের এই প্রথম বছরটি শেষ হওয়ায়, সামনে ট্রাম্প কোন পথে হাঁটবেন—তা এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।  

২২৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
মতামত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন