সর্বশেষ

জাতীয়টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
সারাদেশচট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাঅনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে টানা জয়ের খোঁজে ব্যর্থ বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের কাছে বড় হার
ইয়ামালের দুর্দান্ত গোল, আবার শীর্ষে বার্সা
সারাদেশ

তানোরে নলকূপের পাইপ থেকে শিশু উদ্ধার, হাসপাতালে মৃত ঘোষণা

রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার , ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৫:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের পাইপে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী রাত ১০টায় ব্রিফিংয়ে শিশুটির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে রাত ৮টা ৫০ মিনিটে দীর্ঘ সময়ের উদ্ধার অভিযানের পর পাইপের ভেতর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাড়ির পাশের মাঠে মায়ের সঙ্গে হাঁটার সময় কোয়েলহাট গ্রামে পরিত্যক্ত ওই নলকূপের গর্তে পড়ে যায় সাজিদ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বছর খানেক আগে জমিতে সেচের জন্য নলকূপটি স্থাপন করা হলেও পানি না ওঠায় মালিক পরে সেটি মাটি দিয়ে ঢেকে রাখেন। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে মাটি ধসে পড়ে গর্তটির মুখ আবার উন্মুক্ত হয়ে যায়। খড় দিয়ে ঢাকা থাকায় গর্তটি চোখে পড়েনি, ফলে অসাবধানতাবশত সেখানে পড়ে যায় শিশু।

শিশুটির মা রুনা খাতুন জানান, দুই সন্তানকে নিয়ে হাঁটার সময় হঠাৎ সাজিদের ডাক শুনে তিনি পেছনে ফিরে দেখেন শিশুটি গর্তের ভেতর। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধার চেষ্টা চালালেও ব্যর্থ হন। পরে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযানে অংশ নেয়।

প্রথমে চার্জ ভিশন ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রায় ৩৫ ফুট পর্যন্ত অনুসন্ধান চালানো হলেও শিশুর অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি। পরে এস্কেভেটর দিয়ে বড় একটি গর্ত খনন ও সুড়ঙ্গ তৈরির চেষ্টা করা হলেও তাতেও সফলতা মেলেনি। কয়েক দফা অনুসন্ধান শেষে অবশেষে উদ্ধার করা হয় শিশু সাজিদকে।

নিহত সাজিদ তিন ভাইয়ের মধ্যে মেজো। বড় ভাই সাদমান স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী, আর ছোট ভাই সাব্বিরের বয়স মাত্র তিন মাস। শিশুটির বাবা রাকিব গাজীপুরের একটি ঝুট কারখানায় কাজ করেন।

২৭৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন