সর্বশেষ

জাতীয়বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় দোয়া
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা হতে পারে : সিইসি
ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ মোকাবিলায় দীর্ঘ সময় প্রয়োজন: গভর্নর
বাম প্রগতিশীল ৯ দলের নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ ঘােষণা
ঢাকায় নির্বাচন ও গণভোট প্রস্তুতি যাচাইয়ে ইসির মক ভোটিং আজ
বেইডৌ স্যাটেলাইট নেভিগেশনে যোগদানে বাংলাদেশের বাড়বে সক্ষমতা
ঢাকার বাজারে শীতের সবজি, মাছ ও মাংস : কমেনি দাম, কমেছে ক্রেতা
সারাদেশআলফাডাঙ্গায় বিএনপি'র দুইপক্ষের সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪৪ ধারা জারি
ফরিদপুরের সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫৪
ঝিনাইদহে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, কমেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা
আন্তর্জাতিকন্যাশনাল গার্ডে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় প্রক্রিয়া স্থগিত ঘোষণা
তীব্র সৌর বিকিরণে ঝুঁকি, এয়ারবাসের হাজারো উড়োজাহাজে উড্ডয়ন স্থগিত
ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ আবারও উত্তেজনা : হিজবুল্লাহ নেতার হুঁশিয়ারি
শ্রীলঙ্কায় প্রবল বন্যায় মৃত্যু ৬৯ ও নিখোঁজের সংখ্যা বৃদ্ধি
খেলাবার্সার নতুন তারকা: ১২ বছর বয়সেই ছড়াচ্ছে আলো, নাইকির সঙ্গে চুক্তি!
সারাদেশ

ঝিনাইদহে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, কমেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

এইচ এম ইমরান, ঝিনাইদহ 
এইচ এম ইমরান, ঝিনাইদহ 

শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ ৮:৪৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঝিনাইদহে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রচার কার্যক্রম, মশক নিধন ও সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার আগের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২১ সালে হরিণাকুণ্ডুর পারমথুরাপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালে শৈলকুপায় মানিক হোসেন নামে একজন এবং কোটচাঁদপুরে আরও একজন রোগীর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়। ২০২৪ সালে কালীগঞ্জে আরও একজনের মৃত্যু হলেও ২০২৫ সালে হরিণাকুণ্ডুর তৌকির আহমেদ কুষ্টিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় তা ঝিনাইদহের হিসেবে যোগ হয়নি। ফলে চলতি বছরে জেলায় মৃত্যুহার প্রায় শূন্য।

সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে ঝিনাইদহে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৯৩২ জন। ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ১৩১ জনে। আর ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা নেমে এসেছে ৩৭৫ জনে। এভাবে ধারাবাহিকভাবে কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা।

জেলার সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, জনসচেতনতা কার্যক্রম, পৌরসভার মশা নিধন কর্মসূচি এবং সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার উন্নতির ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনি জানান, দিনে-রাতে মশারি ব্যবহার, ফুলের টব ও আশপাশে স্থির পানি জমতে না দেওয়া, ড্রেন ও নালা পরিষ্কার রাখা এবং কচুরিপানা অপসারণসহ মশা প্রতিরোধে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, এডিস মশা এখন পরিষ্কার ও নোংরা-দুই ধরনের পানিতেই বংশবিস্তার করতে পারে এবং যেকোনো সময় কামড় দিতে সক্ষম।

স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, ডেঙ্গু সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং আক্রান্ত হলেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতে বা হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা নিলেই বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। শীতকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ তুলনামূলক কম থাকে বলেও তারা জানিয়েছেন।

১০৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন