সর্বশেষ

জাতীয়তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, কূটনৈতিক তৎপরতা জোরালো
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দলের মতপার্থক্য নিয়ে আলাপচর্চা করতে হবে: তারেক রহমান
আপিল মঞ্জুর, ঢাকা-৯ আসনে নির্বাচনে লড়তে পারছেন ডা. তাসনিম জারা
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন তারেক রহমান
ঢাকায় 'যশোর সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা'র আত্মপ্রকাশ
সারাদেশটেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্যের দ্বন্দ্ব, গুলিতে যুবক নিহত
টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ১০ নেতার পদত্যাগ
জামালপুর কারাগারে শ্বাসকষ্টে সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু
গোপালগঞ্জে গভীর রাতে পাটের গুদামে, কোটি টাকার ক্ষতি
হাতিয়ায় ব্রিজ নির্মাণের সয়েল টেস্টে গ্যাস নির্গমন, আতঙ্কে কাজ স্থগিত
সিরাজগঞ্জে কুয়াশা কমলেও তীব্র শীতে বাড়ছে দুর্ভোগ
আন্তর্জাতিকতেহরানে দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহতের দাবি টাইম ম্যাগাজিনের
খেলাক্যামেরুনকে হারিয়ে সেমিফাইনালে মরক্কো, মালিকে বিদায় করে শেষ চারে সেনেগাল
জাতীয়

‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর অনুমোদন

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার , ৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নতুন এই অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এতে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যা অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করতে বাধ্য থাকবে।

ভুক্তভোগী, সাক্ষী ও তথ্য প্রদানকারীদের অধিকার, সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তার নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি গুম প্রতিরোধে বিশেষ তহবিল ও তথ্যভান্ডার স্থাপনের বিষয়টিও অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব আরও জানান, এই অধ্যাদেশ জাতিসংঘের গুম প্রতিরোধবিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ গত বছরের ২৯ আগস্ট এই কনভেনশনে পক্ষভুক্ত হয়।

তিনি বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক আইন। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভবিষ্যতে দেশে কোনো ফ্যাসিস্ট সরকার এসে গুমের রাজত্ব কায়েম করতে পারবে না এবং আর কোনো ‘আয়নাঘর’ স্থাপন সম্ভব হবে না।
 

২০৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন