সর্বশেষ

জাতীয়১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সংগঠনের নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশ ইসির
বিতর্কিত তিন নির্বাচন ছিল রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার ফল: তদন্ত কমিশন
ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
সারাদেশজামালপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় চারজনের কারাদণ্ড
মাদারীপুরে কাভার্ডভ্যানের সাথে ভ্যানের সংঘর্ষ, ঘটনাস্থলেই ৩ জনের মৃত্যু
সাতক্ষীরার তালায় বাসচাপায় জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা নিহত
মানিকগঞ্জ হাসপাতালে নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে নারী ধর্ষণের অভিযোগ
দৌলতপুর সীমান্তে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার
কলাপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড
আন্তর্জাতিকইরান ত্যাগে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি আহ্বান
খেলাবাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ ভারতে হবে কি না, অনিশ্চয়তা কাটেনি
সারাদেশ

এখন থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার তাগিদ দিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য এখন থেকেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সচেষ্ট হতে বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

পাশাপাশি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি। সভায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এখন যেসব উন্নয়ন বা সংস্কার হচ্ছে, তা অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে এসেছে। কিন্তু এখন থেকেই নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন থাকব না। তবে কিছু ইতিবাচক ধারা শুরু হয়েছে, যেগুলো ভবিষ্যতের জন্য পথ তৈরি করবে।”

সভায় ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি। রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা স্বেচ্ছায় অস্ত্র জমা দেবেন না, এটা স্বাভাবিক। তাই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।” এছাড়া বৈধ অস্ত্রও নির্বাচনকালীন সময়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেল প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ টানেলটিকে ‘শ্বেতহস্তী প্রকল্প’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “টানেল নির্মাণ করা হলেও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ উঠে আসছে না। লোকসান দিয়ে চালাতে হচ্ছে। এই টানেল এখন শুধু একটি শোপিস হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

সভায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহেদ হোসেন জানান, টানেলের গাড়ি চলাচল কম হওয়ায় আয় হচ্ছে না। বিকল্প সড়ক প্রশস্ত করলে গাড়ি চলাচল বাড়তে পারে।

উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “টানেল করার আগে এসব পরিকল্পনা করা দরকার ছিল। শুধু টানেল নয়, আনোয়ারা প্রান্তে পাঁচ-সাত তারকা মানের রিসোর্ট নির্মাণেও বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। জনশূন্য এলাকায় এসব রিসোর্টে মানুষ যাবে না, এমন বাস্তবতা চিন্তা করে এগোতে হবে।”

তিনি জানান, রিসোর্টগুলো বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। তবে কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তবু এগুলো দিয়ে দিতে হবে যাতে অন্তত রক্ষণাবেক্ষণ হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) শারমিন জাহান। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

৩১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন