সর্বশেষ

জাতীয়পাটভিত্তিক আধুনিক স্বাস্থ্যপণ্য উদ্ভাবনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বিএনপির দুই দিনের কর্মশালা, উদ্বোধন করেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান
উত্তরায় গ্যাস লিকেজে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১০ জন দগ্ধ
রোজার বাজারে কিছু পণ্যে স্বস্তি, বাড়তি দাম মুরগি ও মসলার
সারাদেশ১৩ বছরেও হয়নি ত্বকী হত্যার বিচার: থমকে আছে চার্জশিট
জামালপুরে জিয়া সাইবার ফোর্স-জেড সি এফ'র ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
চাঁদপুরে নিষিদ্ধ জাটকা ধরায় ১৭ জেলে আটক, ১৩ জনকে জরিমানা
সিলেটে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, আহত ৩
কোম্পানীগঞ্জে পাথর লুট ও চাঁদাবাজি: জনমনে তীব্র চাঞ্চল্য
রাজশাহীতে সেমাই উৎপাদনকারী দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
টঙ্গী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১২ দোকান পুড়ে ছাই
নওগাঁর আত্রাইয়ে ছুরিকাঘাতে স্ত্রী-কন্যা হত্যা, পরে যুবকের মৃত্যু
জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেফতার
পঞ্চগড়ে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় পালিত
আন্তর্জাতিকতেল আবিব লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি ইরানের, নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত আইআরজিসির
খেলাউত্তর কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশের মেয়েরা
সারাদেশ

রাজশাহীতে সংরক্ষণের অভাবে বছরে ২০০ কোটি টাকার আমের ক্ষতি

রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহী প্রতিনিধি

বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজশাহী অঞ্চলে প্রতিবছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার আম সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ অবস্থায় চাষি ও আড়তদাররা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, ফলের বিশাল এই ক্ষতি রোধে জরুরি ভিত্তিতে আম সংরক্ষণাগার স্থাপন প্রয়োজন।

রাজশাহীর বানেশ্বর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর বিভিন্ন আড়তে দেখা যাচ্ছে, পচে যাওয়া মণকে মণ আম ফেলে দেওয়া হচ্ছে পুকুরে। বেশি গরমে একসঙ্গে আম পেকে গেলেও চাহিদা অনুযায়ী বাজার তৈরি না হওয়ায় বিপুল পরিমাণ ফল অবিক্রীত থেকে যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট এলাকার আম ব্যবসায়ী নাসির পাটোয়ারী বলেন, “প্রতিবছরই এই সময় পচা আম ফেলতে হয়। এবার ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি।” নওগাঁর ব্যবসায়ী ঝন্টু জানান, ল্যাংড়া, আম্রপালি ও ফজলি আম উৎপাদনে শীর্ষ এ জেলায় প্রচণ্ড গরমের কারণে সবচেয়ে বেশি আম নষ্ট হয়েছে। শুধুমাত্র নওগাঁতেই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় শত কোটি টাকা।

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক সাইফুল ইসলাম হীরক বলেন, “আধুনিক সংরক্ষণাগার না থাকায় আমচাষ ও বিপণনে প্রতিবছরই বড় ক্ষতি হচ্ছে। আমের মতো সম্ভাবনাময় একটি ফল এভাবে নষ্ট হওয়া সত্যিই দুঃখজনক।”

বিকল্প হিসেবে প্রক্রিয়াজাতকরণ হতে পারে সমাধান
ফল গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, “শুধু সংরক্ষণ নয়, আম থেকে জুস, আচার, আমসত্ত্ব বা চকলেট তৈরি করার মতো প্রক্রিয়াজাত প্ল্যান্ট স্থাপনেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানও তৈরি হবে।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াসিন আলী বলেন, “প্রক্রিয়াজাত করা গেলে আমের বাজারমূল্য অনেকটাই বাড়বে, চাষিরাও লাভবান হবেন।”

প্রশাসনিক পর্যায়ে উদ্যোগ
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল জানান, “আম সংরক্ষণের জন্য হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট ও শুকানোর পদ্ধতি চাষিদের শেখানো হচ্ছে। এতে তারা দীর্ঘ সময় আম সংরক্ষণ করতে পারবেন।”

আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা
২০২৫ সালের আম মৌসুমে কৃষি বিভাগ রাজশাহীতে ২ লাখ ৬০ হাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ লাখ ৮৬ হাজার এবং নওগাঁয় ৪ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাবে এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদনের একটি বড় অংশই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।

৩০৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন