সর্বশেষ

জাতীয়আবারও বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজির সিলিন্ডারে বেড়েছে ৫০ টাকা
কর্মজীবী নারীদের নিয়ে মন্তব্য লজ্জাজনক ও কলঙ্কজনক: তারেক রহমান
১২ তারিখের নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণ লাল কার্ড দেখাবে: কক্সবাজারে জামায়াত আমীর
বিএনপি-জামায়াতের কাছ থেকে জনগণের প্রত্যাশার কিছু নেই: মুফতি রেজাউল করিম
ভোট ছিনতাইয়ের চেষ্টা হলে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে: মামুনুল হক
পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার ১০ বছর, টিউলিপের ৪ ও ববির ৭ বছরের কারাদণ্ড
নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব তফশিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে
নির্বাচন ঘিরে মোটরসাইকেল ও ট্রাক-পিকআপে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা
কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ ইনকের কমিটি গঠন
সারাদেশমোংলা ও সুন্দরবন উপকূলে কোস্টগার্ডের স্ট্রাইকিং ফোর্স টহল জোরদার
তাহিরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ ফেব্রুয়ারি ড. শফিকুর রহমানের জনসভা, ব্যাপক প্রস্তুতি
জামালপুরের নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্গন করায় দুই প্রার্থীকে জরিমানা
কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের জন্য এককভাবে নির্বাচন: চরমোনাই পীর
কুমারখালীতে বিএনপি প্রার্থী মেহেদী রুমীর পক্ষে নারী ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়
কাশিয়ানীর হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা মামলার আসামিদের জামিনে স্ত্রী'র প্রতিবাদ
পে স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে পায়রা বন্দরে কর্মবিরতি, ভোট বর্জনের হুঁশিয়ারি
জামায়াত নারীদের ঘরে আটকে রাখতে চায়: মির্জা ফখরুল
বিএনপির বিজয় ঠেকাতে সূক্ষ্ম কারচুপির চেষ্টা চলছে: নাটোরে দুলু
অপ্রচারের মাধ্যমে জামায়াতের অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না: ইউনুস আলী
স্বাধীনতা যারা বিশ্বাস করেনি, তারাই বিভাজন সৃষ্টি করছে : কক্সবাজারে সালাহউদ্দিন
শিবগঞ্জ মনাকশায় ধানের শীষের সমর্থনে নির্বাচনী পথসভা
রাবিতে গণভোটে উত্তেজনা: শিক্ষকদের নাম তালিকাভুক্ত করলেন জিএস
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ‘জব ফেয়ার-২০২৬’ অনুষ্ঠিত
আজ জাতীয় শ্যুটার মোঃ আসাদুল করিমের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী
পে স্কেল ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে পঞ্চগড়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ
মাদারগঞ্জে জমি বিরোধে সংঘর্ষ: ১২ জন আহত
মুন্সীগঞ্জে পদ্মায় গোসল করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু
কাশিয়ানীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে চালক নিহত
গোপালগঞ্জে জমি বিরোধের জেরে নারী নিহত, ছেলে গুরুতর আহত
টাঙ্গাইলে জমিজমা নিয়ে বিরোধে হামলায় একজন নিহত
খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম মাইক্রোবায়োলজি অলিম্পিয়াড
আন্তর্জাতিকএপস্টেইন কেলেঙ্কারি বিতর্কে মাস্ক-গেটস থেকে মোদি, খাসোগি হত্যায় এমবিজেডের নাম
ওমরাহ সেবায় অনিয়ম: ১,৮০০ বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সির চুক্তি স্থগিত
খেলাভারতের বিপক্ষে খেলবে না পাকিস্তান, যা বলছে আইসিসি
সাকিবকে পাকিস্তান সিরিজে খেলাতে চায় বিসিবি
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনের কর্মী মাহমুদ খলিল

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫ ৮:৩৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনের কর্মী মাহমুদ খলিল লুইজিয়ানার একটি অভিবাসন আটক কেন্দ্র থেকে গতকাল (২০ জুন) মুক্তি পেয়েছেন।

এক অভিবাসন আদালতের আদেশে তিনি তিন মাস পর মুক্তি লাভ করেন।

খলিলকে গত ৮ মার্চ নিউইয়র্কে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের লবি থেকে আটক করেছিল অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ ছিল, তিনি মার্কিন অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং তাঁর ভিসার তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো শুরু থেকেই বলছিল, খলিলকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে টার্গেট করা হয়েছে, যা বেআইনি।

মুক্তির পর সাংবাদিকদের সামনে খলিল বলেন, “ন্যায়বিচার শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছে, তবে তা অত্যন্ত দেরিতে। এই ঘটনার এতটা দীর্ঘ সময় লাগার কথা ছিল না।” তিনি জানান, আটক অবস্থায় তাঁর সদ্যোজাত সন্তানের জন্ম হয়েছে, যাকে তিনি এবার প্রথমবারের মতো কোলে নিতে পারবেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, খলিল জনসাধারণের জন্য কোনো হুমকি নন এবং তাঁর বিরুদ্ধে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কার মতো কোনো প্রমাণ মেলেনি। বরং তাঁকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অভিবাসন আইনকে অপব্যবহার করা হয়েছে বলে পর্যাপ্ত ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনগুলোকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, এসব আন্দোলনে জড়িত বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়া হবে। খলিল ছিলেন সেই নীতির প্রথম বাস্তব শিকার।

লুইজিয়ানার অভিবাসন আদালত যদিও তাঁর আশ্রয় আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন, তবু নিউ জার্সির বিচারক ফারবিয়ার্জ তাঁর বহিষ্কারের আদেশ আপাতত স্থগিত রেখেছেন। এর ফলে তাঁর মুক্তি সম্ভব হয়েছে। বিচারক বলেন, খলিলের আটক থাকার বৈধতা নিয়ে গুরুতর সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে।

খলিলের আইনজীবীরা জানান, সাধারণত অভিবাসন ফর্মে তথ্য গোপনের মতো অভিযোগে কাউকে এতদিন ধরে আটক রাখা হয় না। তাঁর স্ত্রী ও সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং তিনি নিজেও স্থায়ী বাসিন্দা।

মুক্তির সময় খলিল ‘কেফিয়েহ’ পরে হাতে মুষ্টিবদ্ধ প্রতীক তুলে বলেন, “এখানে শত শত মানুষ বন্দি আছেন, যাঁরা আসলে কোনো অপরাধ করেননি। কোনো মানুষ অবৈধ নয়।” তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থাকে বৈষম্যমূলক বলে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস এই আদেশের সমালোচনা করে জানায়, খলিলকে মুক্তি দেওয়া অবৈধ এবং তাঁকে বহিষ্কার করা উচিত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন এ বিষয়ে আপিল করবে বলেও জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় মাহমুদ খলিল শুধু একজন রাজনৈতিক বন্দিই নন, বরং মার্কিন অভিবাসন নীতির বিচার এবং মানবাধিকারের প্রশ্নেও এক নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন।

৩১১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন