সর্বশেষ

জাতীয়প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে একুশে পদক-২০২৬ গ্রহণ করলেন ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান
সারাদেশগাইবান্ধায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি উৎপাদন: ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
রাজশাহীতে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি অনুপস্থিত, বাবা-মায়ের জামিন বাতিল
পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শ্রমিক হত্যা: মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার
ফরিদপুরে মেহগনি গাছ ভেঙে সড়কে, ক্ষতিগ্রস্ত ৩ ইজিবাইক
সুজানগরে জমি বিরোধের জেরে কৃষকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য
মিঠাখালীতে বাবা-ছেলেকে কোপানোর মামলায় পদক্ষেপ নেই পুলিশের, অভিযোগ এলাকাবাসীর
টেন্ডার দাখিল নিয়ে চাটমোহরে জামায়াত নেতার ওপর হামলা
মাগুরায় ভিজিএফ কার্ড বিতরণ ঘিরে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ১৪
মুক্তি পাচ্ছেন কক্সবাজারের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি
সোনাগাজীতে পিআইও ও অফিস সহায়ক ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে আটক
নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিহত
আন্তর্জাতিকনরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফর: পাকিস্তানের নিরাপত্তা উদ্বেগ
খেলাটি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ: সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান
অপরাধ

সুজানগর ইউএনওর কক্ষে মারধরের ঘটনার ৪ দিন পর মামলা

 এম এস রহমান, পাবনা
এম এস রহমান, পাবনা

শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫ ১:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাবনার সুজানগর উপজেলায় ইউএনও’র অফিসে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতা মারধরের শিকার হওয়ার চার দিন পর স্থানীয় বিএনপির পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

ঘটনার পেছনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান।

জানা গেছে, শুক্রবার (০৭ মার্চ) রাতের দিকে উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ও জামায়াতের শিল্প ও বাণিজ্যিক বিষয়ক সেক্রেটারি মো. ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামির মধ্যে রয়েছেন: সুজানগর উপজেলার বিএনপির সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মজিবর রহমান খাঁ (৫৫), কালিমন্দির পাড়ার মানিক হোসেন খাঁ (৪০), পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু খাঁ (৪৫), আরিফ শেখ (৩৫) এবং আব্দুল বাসেদ বাঁশি শেখ (৪২)। এর মধ্যে আরিফ শেখকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

ওসি মজিবুর রহমান বলেন, “ইউএনও’র কক্ষে জামায়াত নেতা মারধরের ঘটনায় মামলার দায়ের হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আরিফ শেখ ছাড়া অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অনুসন্ধান করছে।”

এ ব্যাপারে সুজানগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন অভিযোগ করেন, সরকারি অফিসে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলে তারা বাধ্য হয়ে মামলা করেছেন। তিনি দাবি করেন, এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পুলিশ ধরতে সফল হয়নি এবং তারা কেন গ্রেফতার হচ্ছেন না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত সোমবার (৩ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে জামায়াতের চার নেতা ইউএনও অফিসে কোনো কাজে যান এবং অফিসে অপেক্ষা করেন। তখন বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী সেখানে এসে জামায়াত নেতাদের উপস্থিতি দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের মারধর শুরু করেন। পরবর্তীতে জামায়াত নেতাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার প্রয়োজন হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপির চার নেতাকে কেন্দ্রীয় বিএনপি কর্তৃক কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

৩৫২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
অপরাধ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন