কক্সবাজারে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে দৃশ্যমান কাজের নির্দেশ এমপি কাজলের
সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১:৫৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
কক্সবাজার শহরে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে দৃশ্যমান কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান কাজল।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় পৌরসভা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতা বিষয়ক এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। পৌর প্রশাসক শামীম আল ইমরান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এমপি কাজল বলেন, প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত করতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিটি ওয়ার্ডে শ্রমিকদের নিয়ে আলাদা টিম গঠন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এসব টিমের মাধ্যমে এলাকার ড্রেনগুলো থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে হবে এবং কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করতে হবে।
এমপি কাজল নির্দেশনা দেন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল ও বিভিন্ন মার্কেট—যেসব প্রতিষ্ঠান যত্রতত্র ময়লা ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে—তাদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে হোটেল-মোটেল জোনে কোনো ধরনের ময়লা-আবর্জনা থাকতে পারবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি পরিষ্কার রাখা এবং শহরের সড়ক ও অলিগলির নির্দিষ্ট ডাস্টবিন থেকে ভোরবেলা নিয়মিত ময়লা অপসারণের ওপর জোর দেন তিনি।
শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে বরাদ্দকৃত অর্থ পরিকল্পিতভাবে ব্যয়ের আহ্বান জানিয়ে এমপি কাজল বলেন, সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বর্ষার আগেই দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে কউক, জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যেখানে স্কেভেটর ব্যবহার প্রয়োজন সেখানে তা ব্যবহার করতে হবে এবং যেসব স্থানে ম্যানুয়ালি খনন দরকার সেখানে শ্রমিক নিয়োগ দিতে হবে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি।
শহরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এমপি কাজল বলেন, শহরের সৌন্দর্য রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। একা প্রশাসনের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। তাই কোনো অবস্থাতেই ড্রেনে ময়লা ফেলা যাবে না; নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহার করার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান চৌধুরী-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় হোটেল-মোটেল মালিক সমিতি, রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতি, কটেজ মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কনজারভেন্সি পরিদর্শকসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১৩২ বার পড়া হয়েছে