চৈতি দুপুর
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:২০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
এই চৈতি দুপুর—বাহেস বাতাস
বন্ধু থাকে বহুদূর!
ঝড়ো মেঘের আঁশটে অন্ধকার
বিদ্যুৎ চমকের বৈরী আলোয়
কেবলই দেখি বন্ধু তোমার মুখটি
আমোদে-আপদে, দুঃখসুখে
স্বপনশয্যায় তোমাকেই পাশে দেখি
বন্ধু যেও না ছেড়ে সুখের মাদুর
সোনালী ক্ষেতের বারুদে জড়িন পাড়ে
দেখো হুল ফোটায় অনবরত হলুদে ফড়িং
তারে না যায় ধরা; না যায় ছোঁয়া
তবু এমন দুষ্টু ফড়িংয়ের উড়াউড়ি
আর দুষ্টু বাতাসে চলো জুড়িয়ে নিই আগুনবসন্তে সকল ক্ষেপ
স্পর্শের বাহিরে কেবল যত হিসেব—যত ক্রিয়া; প্রতারণার ফাঁদে সরল ঘুঘুর দল চিরকাল পড়ে মরে আটকে, চিরদিন নিষ্পেষিত হয়!
এত সব হিসেব বাদ দিয়ে সরল মনে
সকল ক্রিয়া, সকল পদ পঙ্ক্তির কাছে
ঋণ রেখে চলো ঋতুরাজের রেসকোর্সে অংশগ্রহণ করি!
এই চৈতি দুপুর আর বাহেস বাতাসে
বন্ধু তুমি বৈরীমুখর হয়ো না, বরং গরম তৃষ্ণায় এসো পুণ্যপানের পান খাই
এসো তৃষ্ণা মেটাই উর্বর জমিনে
ফাটা লাল তরমুজের মিষ্টিমুখে
মুখ দিয়ে, দাঁত দিয়ে দগ্ধ দুপুরকে
আরাম দিই; দেখো সকল দিকে
কেমন যুদ্ধ যুদ্ধ ভয়,
কেমন নিরীহ মানুষের কান্না, চারদিকে শুধুই লাল এবং লাল রক্তের আর্তনাদ!
তুমুল যুদ্ধের বিরতির ফাঁকে ফাঁকে
চলো শর্তহীন সকল তৃষ্ণা মেটাই
লেখক : কবি ও নাট্যকার
১৬৭ বার পড়া হয়েছে